ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট কি এবং কেন?

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট কি এবং কেন?

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে পুরস্কার বিজয়ী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যার মাধ্যমে খুব সহজেই একটি রেডি ম্যাট ওয়েব সাইট তৈরী করা যায়। তাছড়া সিএমএস এর মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস সর্বাধিক জনপ্রিয়।

আমাদের কাছে অনেকেই আসেন যারা ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে কিছুই জানে না কিন্তু শিখতে চান। আসলে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে কোন নির্দিষ্ঠ বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে তবেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। যেমন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, স্যোসাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন, ই-কমার্স ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। আপনি যদি কোন কাজ না পারেন তাহলে তো বায়ার আপনাকে কাজ দিবেনা কিন্তু আপনি যদি কাজ পারেন তবে আপনি উক্ত বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের জন্য আবেদন করবেন যদি আপনার কাজ তাদের পছন্দ হয় এবং যদি তারা মনে করে আপনি তার কাজ ভাল ভাবে করে দিতে পারবেন তাহলে আপনাকে কাজ দিবে। আর এজন্য আপনাকে প্রস্তুত করতে হবে। এখন প্রশ্ন হল কিভাবে প্রস্তুত হবেন? ধরুন আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ পারেন তাহলে আপনাকে কিছু বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট ডেমো করে আপনার প্রোফাইলে রাখতে হবে। তাহলে বায়ার আপনার কাজ গুলো দেখে বুঝবে যে আপনি কাজ করতে পারবেন এবং আপনাকে কাজ দিবে।

কেন শিখবেন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট ?

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং পাবলিশিং প্লাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেস। ব্যক্তিগত ব্লগ থেকে শুরু করে কর্পোরেট সকল ক্ষেত্রেই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার হচ্ছে। তৈরী হয়েছে অসংখ্য সাইট, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদাও বাড়ছে। গত কয়েক বছরে যা ছিল চোখে পড়ার মত এবং অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও এর চাহিদা একটুও কমেনি।

আসলে কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলো প্রতিনিয়তই বাড়ছে, এর মাঝে তুলনামূলকভাবে  সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস। বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অধিকাংশ সাইট ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা তৈরী।  তাছাড়া বর্তমানে বিশ্বের নামিদামি কিছু কোম্পানী তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটও তৈরী করেছে ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে। আর ২০১৭ সালে আশা করা যাচ্ছে এই ট্রেন্ড বাড়বে আরো বহুগুণে।

ওয়েবসাইট তৈরীতে অন্যান্য সিএমএস এর তুলনায় ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারের তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। কার্যত এক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগও বাড়ছে সেজন্যে। ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে সফলতার সাথে কাজ করছে এমন একটি প্রতিষ্ঠান থিমশ্যাকারের মতে এই বছর ওয়েব সাইটের জগতে রাজত্ব করবে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট। কারণ ডিজাইন ট্রেন্ডই নির্ধারণ করে দেয় একটি থিম একজন ক্রেতার নিকট কতটুকু আকর্ষণীয়। তাছাড়া ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের অনলাইন এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট অনুযায়ী ওয়ার্ডপ্রেস এবং পি এইচ পির কাজের চাহিদা রয়েছে চাহিদার শীর্ষে। এ পর্যন্ত কাজ পোস্ট হয়েছে ৫ লাখ ২৭ হাজার একশত ৯৫টি, প্রবৃদ্ধি ১৪ শতাংশ। জব প্রতি গড় বাজেট ৯ শত ৫০ ডলার এবং ঘন্টা প্রতি কাজের রেট ২১ ডলার।

এজন্য যা জানতে হবে-

একজন দক্ষ ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হওয়া কঠিন কাজ। তবে লেগে থাকলে অবশ্যই শেখা সম্ভব। ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করার জন্য অবশ্যই এইচটিএমএল,সিএসএস জানতে হবে। সেই সঙ্গে জেকুইয়ারী, জাভাস্ক্রিপ্ট এবং ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্যে পি এইচ পি এবং মাইএসকিউএল জানার প্রয়োজন হবে। আর কেবল ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্টের জন্য এইচটিএমএল, সিএসএস এবং ওয়ার্ডপ্রেস ফ্রেমওয়ার্কেরও ব্যবহার জানা থাকলেই চলবে। তাই চেষ্টা করুন এক্সপার্টের চেয়ে বেশি কিছু হতে।

কেন হতে হবে সেরা ডেভেলপার-

যদি ভাল কিছু করতে চান তবে কেন গড়পড়তা অবস্থায় পড়ে থাকবেন। এমন গড়পড়তা অবস্থায় অনেকেই আছে, তাদের চেয়ে বেশি কিছু করার চেষ্টা করুন। তাছাড়া সেরা হবার আরো কিছু কারণ আছে।

আয়ের নিশ্চয়তা- ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্টের আয় করতে হলে আপনাকে ভাল কিছু করতে হবে। আপনি যদি ভাল কিছু করতে পারেন তবে আপনি নিশ্চিত আয় করতে পারবেন।

সেরা ক্লায়েন্ট বেচে নেওয়ার সুযোগ- যখন নিজেকে নিয়ে যাবেন সফলতার শীর্ষে, তখন  খুজে পাবেন কাজের স্বাধীনতা। কোন কাজটি করবেন তা নিজের ইচ্ছেমত বেছে নিতে পারবেন।

কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শিখবেন?

গাজীপুরে প্রতিষ্ঠিত এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন দেশের আইটি কোম্পানি। সেখানে হাতে কলমে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শেখানো হয়। আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

Free WordPress Themes, Free Android Games