আকর্ষণীয় অফারঃ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কোর্সে ৫০% পর্যন্ত ছাড়!

Author Archives: Faisal Ahmad

ফ্রিতে শিখুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং আর জানুন অনলাইন আরনিং এর A to Z

ফ্রিতে শিখুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং আর জানুন অনলাইন আরনিং এর A to Z

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর যেকোন ধরনের কাজ ফ্রিতে শিখতে এবং অনলাইন আরনিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি হতে পারে আপনার কাছে অনলাইন আরনিং এর জন্য সেরা গাইডলাইন।

আমি আজকে আপনাদের সামনে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বাংলাদেশ থেকে কি কি কাজ করলে ভালো হয় এবং কোন কোন কাজ করলে অনেক বেশি আয় করা যায়, কার জন্য কোন কাজ করলে ভাল হবে ইত্যাদি। আপনি যদি আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়েন। তাহলে এখান থেকে পেয়ে যেতে পারেন আপনার জন্য সঠিক কাজটির দিক নির্দেশনা।
ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বাংলাদেশ থেকে কোন কোন কাজ করলে আপনি অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন এবং অনেক বেশি আয়ও করতে পারবেন তার একটা তালিকা নিচে দেওয়া হল।

১। ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট
২। গ্রাফিক্স ডিজাইন
৩। ইউটিউব
৪। অনলাইন মার্কেটিং
৫। ব্লগিং

যদিও অনলাইনে প্রায় ৫০০ এর বেশি ধরনের কাজ আছে। কিন্তু আমরা সবসময় সবাইকে এই ৫ ধরনের কাজ করার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি। সাধারণত সবাইকে বলতে শোনা যায় যে “কোন কাজ টি করলে আমার জন্য ভালো হবে, কিভাবে কোথা থেকে শিখবো, কোথা থেকে কাজ পাবো” এই ধরনের অনেক প্রশ্ন। আজ আমি এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। এবার তাহলে ধারাবাহিক ভাবে প্রতিটি কাজ নিয়ে নিচে আলোচনা শুরু করা যাক।

ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টঃ

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের স্থানটা সবার উপরেই রাখতে হবে। কারণ প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের চাহিদা অনেক বেশি। কাজ ভাল পারলে অনেক বেশি আয়ও করা যায়। অনেক ডেভেলপার আছে যারা প্রতি সপ্তাহে ১/২ টি কাজ করে ৫০০ থেকে ৬০০ ডলারের বেশি আয় করে। আর একটা বড় সুবিধা হল ওয়েব ডেভেলপাররা ফ্রিল্যান্সিং না করেও যেকোন আইটি ফার্ম এ কোন সার্টিফিকেট ছাড়ায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতনের জব করতে পারে। আপনার কাজ হলো শুধু কাজটি ভালভাবে শেখা।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

Udemy (free course)
Learncode.academy (YouTube channel)
Stackoverflow (ask here any question)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

upwork
Freelancer
fiverr
Any IT firm in Bangladesh

গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ

এবার আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে। এটা একটি ক্রিয়েটিভ কাজ। সবাই করতে পারেনা। তবে যারা করতে পারে তারা প্রতি মাসে অনেক বেশি আয় করতে পারে। যদিও গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স গুলার রেটটা অনেক বেশি, তবে সমস্যা নেই। আমি নিচে কিছু ফ্রি রিসোর্স দিচ্ছি। সেখান থেকে ফ্রিতে শিখতে পারবেন। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদাটা ওয়েব ডিজাইনের থেকেও বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে। যেমন, ব্যানার ডিজাইন, থ্রিডি, গেমস, লোগো ডিজাইন, এরকম হাজারও গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ আছে যেগুলোর মূল্য অনেক বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে আমার ধারনা একটু কম। কিন্তু যতটুকু জানি সেটা নিচে দিলাম।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

Alison (free course)
GFX (Youtube channel)
Atique Ullah (Bangla youtube channel)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

upwork
Freelancer
fiverr
Graphicriver
99designs
DesignCrowd
Designhill

৩। ইউটিউবঃ

ইউটিউব নিয়ে আমার মনে হয় নতুন করে কিছু বলার নেই। সবাই এটা নিয়ে কম বেশি জানে। আপনাকে শুধু জানতে হবে যে, কিভাবে খুব ভাল মানের ভিডিও তৈরি করতে হবে এবং ভিডিওর ভিউ কিভাবে বাড়াতে হবে। টুকটাক ভিডিও এডিটিং জানলে এবং টুকটাক সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং জানলে ইউটিউবে খুব সহজেই প্রচুর ইনকাম করা যায়। বলা যায়, অনলাইনে কম পরিশ্রমে আনলিমিটেড ইনকাম করা যায় একমাত্র ইউটিউব থেকে। ইউটিউব সম্পর্কে টুকিটাকি সব কিছু জানতে হিন্দি ইউটিউব চ্যানেলঃ My Smart Support ফলো করতে পারেন। এবং যারা কম সময় খরচ করে অনেক বেশি ইনকাম করতে চান তাদেরকে আমি সব সময় ইউটিউবে কাজ করতে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

৪। অনলাইন মার্কেটিং

অনলাইন মার্কেটিং এর সংজ্ঞা টা অনেক বড়। আসলে অনলাইন আরনিং এর প্রায় সব কাজই অনলাইন মার্কেটিং এর সাথে রিলেটেড। তবে সাধারণত অনলাইন মার্কেটিং বলতে আমরা যে বিষয় গুলা জানি তা হলোঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং, সোশ্যাল মার্কেটিং সহ আরো অনেক ধরনের মার্কেটিং। অনলাইন মার্কেটিং ২ ভাবে করা যায়ঃ ফ্রি মেথড এবং পেইড মেথড। যাদের অনেক টাকা আছে এবং অনলাইনে বিজনেস করতে চান তারা পেইড মেথডে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পেইড মেথডে করলে কোনও কিছু শেখার দরকার হয়না এবং প্রচুর লাভ আসে। কিন্তু ফ্রি মেথডে কাজ করলে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং অনেক কিছু শিখতে হয়। যারা ফ্রি মেথডে কাজ করতে চান তাদের জন্য সব থেকে ভাল রিসোর্স হলঃ Web Trainings Academy (YouTube channel)।

৫। ব্লগিং

ব্লগিং টা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। প্রথমে একটা ডোমেইন কিনতে হবে, এরপর সাইটে ইউনিক লেখালেখি করতে হবে, অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে অ্যাড লিঙ্ক নিয়ে এসে সাইটে বসাতে হবে, তারপর নিজের সাইট টাকে মার্কেটিং করতে হবে। সাইটে যত ভিজিটর আসবে অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে তত ইনকাম আসবে। ব্লগিং করার প্রক্রিয়াটা সহজ কিন্তু কাজ করা কঠিন। এখানে কোনও টেকনিক্যাল ব্যাপার নেই কিন্তু অনেক পরিশ্রম করতে হয়। ইউনিক আর্টিকেল লেখাটা যেমন কঠিন তেমন সাইটে প্রতিদিন ভিজিটর আনাটা আরো কঠিন কাজ। এই দুইটা কাজ যদি আপনি করতে পারেন তাহলে প্রতিমাসে প্রচুর আয় করতে পারবেন।

সবশেষে বলতে চাই, অন্যান্য কাজের মত অনলাইনে কাজ করাটাও অনেক কষ্টের। তবে ধৈর্য ধরে করলে এখান থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করাটা খুব কঠিন কোনও ব্যাপার না। এরপরও যদি ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং ও অনলাইন আরনিং সম্পর্কে আপনাদের আরও কিছু জানার থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ইউটিউব থেকে আয় করার সবচেয়ে সহজ ৫টি উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করার সবচেয়ে সহজ ৫টি উপায়

বেশিরভাগ মানুষ ইউটিউব ব্যাবহার করে সম্পূর্ণ মজার খোঁড়াক হিসেবে। কেউ ব্যাবহার করে নিজের বিভিন্ন ক্রিয়েটিভিটি প্রদর্শন করে রাতারাতি খ্যাতি পাওয়ার জন্য আবার কেউ এটি ব্যাবহার করে নিজের এবং বন্ধুবান্ধবদের একান্ত কিছু স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সারাজীবন। কিংবা কেউ হয়তো বিদেশে থাকা প্রিয়জনের কাছে নিজেদের বিশেষ আয়োজন বা মুহূর্ত পৌঁছে দেয় ইউটিউব এ আপলোড করা একটি ভিডিও এর মাধ্যমে।

কিন্তু যেসকল মানুষ প্রতিনিয়ত ইউটিউব ব্যাবহার করে শুধু শখের বসে তারা জানেই না যে আপনার আপলোড করা এই ভিডিও গুলো অনায়াসে হতে পারে আপনার আয়ের উৎস। খুব সহজ সাধারন কিছু নিয়ম অনুসরন করে অনলাইনের আয়ের যেকোনো ক্ষেত্র থেকে অনেক দ্রুত আয় করা যায় ইউটিউব থেকে। শুধু জানতে হয় আয়ের সঠিক পথ। তো চলুন দেখে নেই কি কি ভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন–

১. ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে

ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে এটাই ইউটিউব থেকে আয় করার সব থেকে জনপ্রিয় এবং বড় মাধ্যম। আমরা সকলেই জানি যে ইউটিউব হচ্ছে গুগল এর একটি সেবা। আবার গুগল অ্যাডসেন্স ও গুগলের। তাই ইউটিউব এর ব্যাপারে গুগলের প্রাধান্য অনেক। এমনকি আপনি মাত্র কয়েকটা ছোট ছোট ভিডিও দিয়েই একটি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করাতে পারবেন। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য ইউটিউব হচ্ছে অন্যতম সহজ একটি পদ্ধতি। সেরা আর্নাররা শুধুমাত্র ইউটিউব অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করে মাসে কয়েক লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে থেকে!

২. নিজের পণ্য বিক্রি করে

ইউটিউব থেকে আয় করুন নিজের পণ্য বিক্রি করে, ধরুন আপনার নিজের একটা ফ্যাশন হাউজ আছে। এখন আপনি যদি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডজ সম্পর্কে কিছু ভিডিও তৈরি করেন এবং সাথে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছুটা রিভিও যুক্ত করে আপলোড করেন তবে ইউটিউব হতে পারে আপনার নিজের পণ্য মার্কেটিং এর সবথেকে বড় মাধ্যম। এখন আপনি বলতে পারেন যে এভাবে কত জনই বা কিনতে পারে। কিন্তু আপনি জানেন কি ইউটিউব এ আপনি কি পরিমান ভিসিটর পেতে পারেন? যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও গুলোর ভিউ থেকে আপনি সহজেই তা বুঝতে পারবেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে ওয়েব সার্চ এর তাবৎ ক্রয়যোগ্য (অর্থাৎ যে কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে মানুষ কোন প্রোডাক্ট কিনার জন্যই সার্চ করে) সার্চের বেশির ভাগটাই ইউটিউবে হয়। মানে কেউ কোন পণ্য কিনার জন্য মন স্থির করলে সেই পণ্য সম্পর্কে জানতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিওই দেখে থাকে।

৩. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর রিভিউ করে

ইউটিউব থেকে আয় করুন এফিলিয়েট করে এটি ইউটিউব ব্যাবহারের আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই ক্ষেত্রে মানুষ আমাজন বা অন্য কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর পণ্যের এফিলিয়েশন করে থাকে। সাধারনত নিজের এফিলিয়েট লিঙ্ক ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে দেওয়া হয় এবং ভিডিও তে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিও প্রদান করা হয়। সেই ভিডিও থাকাকালীন কেউ যদি ঐ লিঙ্কের মাধ্যমে গিয়ে কোন পণ্য ক্রয় করে থাকে তবে এফিলিয়েটর কমিশন পায়। এইভাবে এফিলিয়েশন করলে খুবই কম খরচে বা বিনা খরচে আপনি সহজেই মাস গেলে অনেক টাকা কামিয়ে নিতে পারবেন।

৪. ইউটিউব এর পার্টনার হোন

ইউটিউব থেকে আয় করুন পার্টনার হয়ে, বর্তমানে পৃথিবী ব্যাপী প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ইউটিউব পার্টনার আছেন। পার্টনাররা ভাড়ার ভিত্তিতে ভিডিও অভারলেয় করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং আয় ইউটিউব এর সাথে ভাগাভাগি করে নেয়। তাদেরদে অনেক সময় ব্রান্ডদের এন্টারটেইনার বা ভিডিও মার্কেটার হিসেবে হায়ার করাও হয়ে থাকে। অনেক সময় একটা ব্রান্ডের জন্য বিশেষ ভিডিও তৈরি করেও এরা অনেক টাকা উপার্জন করে।

৫. আপনার ভিডিওর ডেসক্রিপশনে লিঙ্ক বিক্রি করুন

ইউটিউব থেকে আয় করুন লিঙ্ক বিক্রি করে এটা অনেক মজার একটা আয়। ধরুন যেকোনো বিষয়ের উপর আপনার একটা ভিডিও ইউটিউব এ প্রথম দিকে আছে। এই মুহূর্তে এই ধরনের প্রোডাক্ট যাদের আছে আপনি চাইলেই তাদের কাছে এককালীন অথবা দীর্ঘমেয়াদী শর্তে একটা লিঙ্ক বিক্রি করতে পারেন যা আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে থাকবে। কয়েকটা ভিডিও তে এসইও করেই আপনি এইভাবে লিঙ্ক বিক্রি শুরু করতে পারেন।

তবে এই ক্ষেত্রে ভিডিও তে অবশ্যই ভালো মানের ভিসিটর থাকতে হবে আর এভাবে লিঙ্ক দিয়ে আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট বা ওয়েব ব্লগেও প্রচুর পরিমান ট্রাফিক আনতে পারেন।

এইধরনের আরও বেশ কিছু উপায় আছে ইউটিউব থেকে আয় করার। তবে সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে কাজ করার মানসিকতা। নিয়মিত কাজ করলে যেকোন উপায়েই আপনি আয় করতে পারবেন। কিংবা আপনি নিজেও আরও উপায় খুজে পাবেন আয় করার।

চাকরি না খুঁজে উল্টো দিতেও পারেন। জানতে চান সেই রহস্য ……. !!

চাকরি না খুঁজে উল্টো দিতেও পারেন। জানতে চান সেই রহস্য ……. !!

ইদানীং আমাদের দেশে একটা প্রচারণা নিয়ে বেশ আলোচনা শোনা যায়। সেটা হল “ চাকরি খুঁজবো না, চাকরি দিবো ” শীর্ষক এই প্রচারণায় অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই সফলতার মূখও দেখছেন। কিন্তু চাকরি না খুঁজে উল্টো চাকরি দেওয়া কি সহজ? প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে না, যতটা সহজ শোনায় ব্যাপারটা ততটা সহজ নয়। তবে, খুব কঠিনও নয়। ইন্টারনেটের প্রসারের সাথে সাথে অনেক কিছুই এখন সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে।  তথ্য ও প্রযুক্তি এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। এই সহজ দুনিয়া থেকে আয় করার কিছু সহজ উপায়ও আছে।

ইউটিউব

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম অর্থ আয়ের এক বড় উপায়। বিশেষ করে ইউটিউব। রান্না শেখানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সহজ সমাধান কিংবা ছোট নাটক, মজার ভিডিও তৈরি ইত্যাদির মাধ্যমে ইউটিউব থেকে আয় খুব বেশি কঠিন নয়। এর কারণ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব, যারা কন্টেন্ট তৈরি করেন, তাদের সঙ্গে আয়ের একটা অংশ শেয়ার করে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের কয়েকজন তরুণ এই পথে গিয়ে ভালে করছেন। চাইলে আপনিও ইউটিউবার হবার চেষ্টা করতে পারেন। এজন্য দরকার ক্রিয়েটিভ কিছু আইডিয়া, ভিডিও করার উপকরণ এবং অবশ্যই ইন্টারনেট ও কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা।

সোশ্যাল মিডিয়া

ফেসবুক বা টুইটার অবশ্য যারা কন্টেন্ট তৈরি করেন তাদের এখনো সরাসরি কোনে অর্থ দেয় না। তবে এক্ষেত্রে অর্থ উপার্জনের উপায় একটু ভিন্ন হতে পারে। আপনি চাইলে কোনে ব্র্যান্ডের ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্ট ‘ম্যানেজ’ করতে পারেন। মূল কাজ হবে সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহার করে সেই পণ্যের প্রসার বাড়ানো। এজন্য পণ্য ব্যবহারকারীর সঙ্গে একটা ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে ফেসবুক বা টুইটারে। এই কাজে প্রযুক্তি জ্ঞানের পাশাপাশি ভাষার দক্ষতাও থাকতে হবে। বিশেষ করে ভালে ইংরেজি জানা থাকলে কাজের পরিধি অনেক বাড়বে।

ঘরে বসেই কাজ করুন

আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আয়ের দিক থেকেও খুব বেশি পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম।  এক্ষেত্রে সহায়তা করছে ফ্রিল্যান্সার বা মুক্তপেশাজীবীদের কাজ দেয় এমন কিছু ওয়েবসাইট। এইসব ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধনের পর নিজের যোগ্যতা গুলো সেখানে দিতে হবে। এরপর আপনি যা জানেন, সেটা হতে পারে ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও কিংবা লেখালেখি। এই সমস্ত কাজ গুলো পেলে করতে থাকুন। প্রথমদিকে একটু অল্প টাকায় করে দিতে পারেন। তবে কাজ ভাল করলে এইসব ওয়েবসাইটে রেটিংয়ে আপনার অবস্থা ভাল হবে। আর রেটিং যত ভাল, পরিবর্তীতে কাজ পাওয়া ততই সহজ। একসময় চাইলে নিজে ছোটখাট একটা কোম্পানি গড়ে অন্যদেরও কাজ, অর্থাৎ চাকরি দিতে পারবেন।

গুগল থেকে অর্থ আয়

বিষয়ভিত্তিক ওয়েবসাইট থেকে অর্থ আয়ের ক্ষেত্রে এক বড় উৎস হচ্ছে গুগল অ্যাডসেন্স। আপনার ওয়েবসাইটটি যদি জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হয় এবং গুগলের নিয়মকানুন মেনে পরিচালনা করা হয়, তাহলে গুগল অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন পেতে পারেন। তবে সমস্যা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত বাংলা ভাষা গুগলের এই সেবায় অন্তর্ভূক্ত হয়নি, যদিও কয়েকটি বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হচ্ছে। তবে এই সমস্ত সাইটে গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার পর  বাংলা কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিষয়ভিত্তিক ব্লগাররা গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ভালে অর্থ উপার্জন করেন, যা তাদের জন্য জীবিকা নির্বাহের প্রধান উৎস।

ইন্টারনেটে অর্থ আয় সহজ হলেও এখনো বেশ কিছু বাধা রয়ে গেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে পেপ্যাল সেবা এখনো চালু হয়নি। ইন্টারনেটে উপার্জিত অর্থ সহজে দেশের অ্যাকাউন্টে জমা করা যাচ্ছে না বলে মাঝে মাঝে মুক্ত পেশাজীবীরা অভিযোগ করেন। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, উচ্চগতির ইন্টারনেট এখনো সব জায়গায় সহজলভ্য হয়নি। এইসব অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বাংলাদেশে বসে চাকরি ছাড়াও অর্থ আয় করে বেকারত্ব ঘুচাতে পারবেন আরো অনেকেই।

ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং করবেন? কিন্তু আপনি কি জানেন কাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং

ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং করবেন? কিন্তু আপনি কি জানেন কাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং

বর্তমানে আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের নিকট ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের প্রতি আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে অনেকেই না বুঝেই ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। কিন্তু তারা কখনই চিন্তা করেন না যে, ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং আসলে কি বা এটার জন্য কি কি যোগ্যতা প্রয়োজন। অনেকেই ভাবেন, এটা খুব সহজ, শুধুমাত্র একটা কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ঘরে বসে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করা যায়। তেমন কোন পরিশ্রম করা লাগেনা।

আবার অনেকে ভাবেন, একজন ভাল মানের ফ্রিল্যান্সার যদি প্রতি মাসে লক্ষ টাকা আয় করেন, তবে আমি কম জেনে কেন? দশ পনরো হাজার টাকা আয় করতে পারবো না!! এই সব ধারণার ফলে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করতে আসে। আবার যারা মাত্র নতুন কম্পিউটার কিনেছেন বা ইন্টারনেট কানেকশন নিয়েছেন তাদের ইচ্ছা, কয়েক দিন ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি অথবা ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের জন্য ১০ থেকে ১৫ দিনের একটি কোর্স করলেই সে অল্প কয়েক দিনের মধ্যে ঘরে বসে প্রতি মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবে।

এর জন্য যেমন দায়ি তথাকথিত কিছু ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টার, তেমনি দায়ি আমাদের সরকার ব্যবস্থা। আমাদের বর্তমান সরকার “ঘরে বসে আয়” নামের সারা দেশে ফ্রিল্যান্সার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। যেখানে মাত্র ১০ থেকে ১৫  দিনের ট্রেনিং দেয়া হয়, ফলে তারা কিছুই শিখতে পারে না এবং হতাশ হয়ে  পড়েন। আচ্ছা, আপনারা যারা কাজ করছেন ও অভিজ্ঞ তারা বলেনতো ১০ থেকে ১৫  দিনে কি ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং শেখা যায়??

আসলে এই উদ্যোগের পিছনে রয়েছে সরকারের উপর মহলের কিছু স্বার্থান্বেষী ও অর্থলোভী কর্মকর্তা। ফলে এইসব প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেট করান এবং তার একটা বৃহৎ অংশ নিজেদের পকেটে ঢুকান। এবং নিজেরাই “ঘরে বসে বড়লোক” হন!! তাছাড়া, বিভিন্ন বাস, ট্রেন বা দেয়ালের গায়ে লাগানো চোখ ধাঁধানো ও প্রলোভন দেখানো অথাকথিত প্রতিষ্ঠানের পোষ্টার বা স্টিকার তো আছেই।
freelancerতাই, নতুনদের জন্য বলবো, ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং সবার জন্য না। ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরু করার জন্য আপনার অবশ্যই কম্পিউটারের প্রাথমিক ধারণা এবং ইংরেজিতে যোগাযোগ করার মত ভাল ধারণা থাকতে হবে এবং প্রচুর পরিশ্রম করার মনমানসিকতা থাকতে হবে। যাতে আপনি আপনার পরিশ্রমের মাধ্যমে ভালো কাজ শিখতে পারেন। আপনাকে নজর দিতে হবে কাজ শেখার প্রতি, টাকা আয়ের প্রতি না। এরপর আপনি কোন ধরণের কাজের প্রতি ইন্টারেস্টেড তা নির্ধারণ করুন।

এবার বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখে বা আর্টিকেল পড়ে শিখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে সময় অনেক বেশি লাগতে পারে। তাই যদি সম্ভব হয়, কোন মানসম্মত ফ্রিল্যান্সিংআউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। আর কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই তাদের অভিজ্ঞতার ব্যাপারে ভালভাবে খোঁজ খবর নিয়ে নিন। এবং তাদের কোর্স কারিকুলাম বা কোর্স আউটলাইন দেখে নিন, যেখানে কি কি শিখানো হবে, তা ক্লাস ভিত্তিক দেয়া থাকে।

কারণ বর্তমানে অলিতে গলিতে বিভিন ধরণের ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টারের অভাব নেই। আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন রকম প্রলোভন দেখিয়ে ভর্তি করাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষও তাদের প্রলোভনে পড়ে ভর্তি হচ্ছে এবং শেষে কিছুই না পেয়ে হতাশ হচ্ছে।

আর একটা কথা অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনাকে অনলাইনে ভাল আয় করতে হলে, ভাল কাজ জানতে হবে। এর কোন বিকল্প নাই।

কেন ওয়েবসাইট তৈরী করবেন, কারণগুলো জেনে নিন।

কেন ওয়েবসাইট তৈরী করবেন, কারণগুলো জেনে নিন।

বর্তমান যুগটাই ইন্টারনেটের। কোন তথ্য জানতে হলে প্রথমেই মনে আসে ইন্টারনেটে সার্চ দেওয়ার কথা। সবচেয়ে অল্প খরচে তথ্য প্রকাশ করা এবং তথ্য জানার সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। অল্প খরচে যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য এটি ব্যবহার করতে পারে।

ওয়েবসাইটে যখন তখন যে কোন তথ্য প্রকাশ করা যায়।

ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যখন ইচ্ছে দেখা যায়।

ওয়েবসাইটে যেকোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্যের ছবি, ভিডিও আপলোড করা যায়।

ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় করা যায়।ক্রেতা বাজারে না গিয়েও আনলাইনে তার পছন্দের পণ্যটি কিনে ফেলতে পারে। একইভাবে বিক্রেতাও লাভবান হয় যদি তার একটি ই-কমার্স সাইট থাকে।

অনলাইনে আয় করার জন্যও ওয়েবসাইট থাকা অত্যান্ত গুরুতবপূর্ণ। যারা ফ্রিল্যান্সার তাদের জন্য অবশ্যই একটি পোর্টফলিও সাইট থাকা দরকার। তাছাড়া বায়ার তাদের কাজের নমুনা খুঁজে পাবেনা।

একটি ভালমানের ওয়েবসাইট থাকলে বিজ্ঞাপন দাতারা আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিতে আগ্রহী হবে। আর আপনি ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করতে পারবেন।

আনলাইনে আয় করার একটি গুরুতবপূর্ণ মাধ্যম হলো আনলাইন শপিং ওয়েবসাইট যাকে বলে ই-কমার্স সাইট।বর্তমানে সারাবিশ্বে ই-কমার্স সাইটের প্রচুর সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।ই-কমার্স ওয়েবসাইটে সরাসরি পণ্য বিপনন বা কমিশনের মাধ্যমে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব।ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যেকোন পণ্য সারাদেশের ক্রেতাদের মাঝে পৌঁছে দিতে একটি ই-কমার্স সাইটের ভূমিকা আতিব গুরুতবপূর্ণ।

এরকম আরও অনেক অনেক সুবিধা রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবেনা।আপনি নিজেই জানতে পারবেন যদি ওয়েবসাইট তৈরী করেন বা কোনভাবে এর সাথে যুক্ত হন।আমার তো মনে হয় ইন্টারনেট ,ওয়েবসাইট ছাড়া এখন আর মানুষ কিছু ভাবতেই পারেনা। এমন কোন বিষয় নেই যার জন্য ইন্টারনেটে সার্চ পড়েনা।আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

The core system of Freelancing

The core system of Freelancing

With the advent of computer and advanced technology, people of the current ear become more and more tech savvy. They prefer to do all the activities right from the comforts of their living room. That is the reason they prefer Freelancing over the traditional method of learning process. However the process of Freelancing has a few substantial benefits for students and organizations as well. It offers the civilization a unique opportunity where everybody can grow, people need not have to suffer any more from limited access to work. Through the process the mankind is blessed with unprecedented and incessant access to resources and reality. Thus, it can be termed as an innovative and creative approach to shape human behavior.

Benefits of Freelancing

Freelancing is user centered. Anyone can take advantage of Freelancing system. The worker itself is the hub of a structure. The working materials and required activities are intended to keep in view the requirement and interest zone of the working system. The worker can use and apply their experience in the field of their own specific needs.

Another thing about Freelancing is that it is self-directed and self-paced. You are not forced to spend a specific amount of time for the working. The learners can schedule the program as per his/her personal choice to spend how much time on a particular topic. The process enables the worker to spend more time on difficult projects and can have a better understanding. The smarter technique of approach helps the individuals to complete their working task in a better way and faster pace.

Impact of Freelancing

The best thing that provide is the utilization of a variety of multimedia in Freelancing system. It inevitably enhances person’s involvement in the subject matter and strengthens the working experience. Thus going forward it increases retention capability and build a stronger grasp on the subject.

Another impact of the Freelancing process is the flexibility of the procedure. If you are equipped with the necessary tools the you have the access to work anywhere. The worker can get the best training and education, even from thousands of miles of distance. It is good for physically challenged individuals to participate fully. The entire targeted worker can get a consistent and effective training by following the same Freelancing program.

Convenience of Freelancing

So to conclude it can be said that the process is technical in nature. An individual with minimum required tools and equipment can get into the process, but lack of proper skill and knowledge or having non-access to these tools will not be able to get success in a Freelancer.

Freelancing provides an effective and consistent working to its worker. The whole of the target workers can participate at the same time and will get the same information, irrespective of the diversity of location. This in fact constructs a consistency of the system.

Advantages and Disadvantages of E-Commerce

Advantages and Disadvantages of E-Commerce

Now-a-days, before taking or using things, everyone eagerly wants to know what are the advantages and disadvantages. It describes E-Commerce full impact in day to day life globally. In particulate, quick internet connection and strong tools innovation has gifted  to the Commerce area. This internet connection adds many people in this field. E-Commerce provides numerous advantages along with many disadvantages. In today’s 21st century, everything is in electrified. The electronic and via services established virtual correspondence, E-Commerce has both the sides of bright and dark. But, bright sides are more effective and valuable in our modern lives. We usually believe to take benefits and overcome the obstacles.

 

Advantages of E-Commerce

E-Commerce advantages can be seen in every sector of our modern lives. Likewise, people can broaden their national and international market with the smallest investment. Furthermore, any types of organization can do their job conveniently with the help of E-Commerce. Here are the most significant advantages of networking are below-

 

  • Best Productivity: These systems provide best products among consumers and companies as well. People find quick feedback in online because it’s convenient in all aspects.

 

  • Best Services: We  tries to give their client the best services. It does not matter he/she is an organization or a customer.

 

  • Quality Services: In this process clients can get quality product along with quality services. In fact they can choose their cherish.

 

  • Reasonable Prize: E-Commerce provides their clients best products as well as services at the reasonable prize. For this factor, people more attract on it.

 

  • Quick Transaction: When people get its features and services they can pay easily. Inversely, people can buy and sell their products easily with quick online transaction.

 

 

Disadvantages of E-Commerce

Though E-Commerce has many advantages it has some disadvantages as well. Its disadvantages cannot be denied but it can be ignored. These disadvantages are very little compare to advantages. Here are some ignoble disadvantages below demonstrate-

 

  • Protection: In many aspects we cannot protect our online account on web which helps us to buy and sell products online. Sometimes, this transaction cannot be trust worthy.

 

  • Risk: Sometimes, for payment transaction and buy products can be risky. People may face many fraud people in this online process.

 

  • Complicated System: This system is totally depending online. So, people who do not know how to use internet cannot reach E-Commerce.

 

  • Relation Problem: Loyal relation cannot build in online which we can find in manual relation. Online relations are not so strong all the time.

 

  • Network Problem: In developing country internet network is not so strong. So, people of these countries may face difficulties in using E-Commerce daily.

 

 

Impact of Advantages and Disadvantages

Everything in this world has merits and demerits. So, it’s totally up to us which things we want to receive and which things we need to avoid. Our using capabilities and utilization will prove the right as well as relevant results. This is not as tough as we think. If people are aware of using online services and its resources, we can overcome the disadvantages of E-Commerce. We should take the advantages of E-Commerce and discover the disadvantages cause and try to fix it. If we do so, we can not only enjoy more facilities in our internet but also can browse more features and services as well.

Increase Search Engine Crawl Rate

Increase Search Engine Crawl Rate

Search Engine Optimization service area simple and successful tips to increase site crawl speed
Firstly update your site content regularly and the content should be carries out the keywords what you want to show to traffic.

Increase your page rank with Google as the entire search engine high PR site crawl rate high,

Server is the most effective issue for visitor as no one want to stay in site for more times to load, as 80% of visitor are comes from search engine and search engine dose not shown only your site, so page load speed is too impotence for web site Google crawl.

Avoid duplicate content its mean don’t update any copy content what already published in some others site, duplicate content against of Google search engine quality.

Building block right of entry to not needed page via robots.txt

Using Google webmaster tools check and optimize Google crawl rate, by WMT you can see your site crawl rate now.

Once update your content most welcome to use ping services to demonstrate your site being there and give permission to bots recognize when your site content is reorganized

Once complete site submit to online directories,
Make alt tag to the entire use image in the site,
Overall use social media service once published you content and that will make you site crawl rate,

You are most welcome to our Service and Training

SEO Service by AMWebCreation in Gazipur, Dhaka, Bangladesh,

SEO Training from Gazipur, SEO Training,

Save

How to use Meta Tags within webpage

How to use Meta Tags within webpage

How to use “Meta Tags” within your webpage

When a user searches from a search engine or directory, the user enters words into a text box and presses the Search button. The words that the user enters are referred to as keywords. The server at the site that is being searched looks within a database for records that include those keywords. It then creates a page that lists some or all of the records that it found and includes links to the locations of those records.

The search engines and directories acquire their lists of keywords from several places. The most common method involves submissions. Many sites ask for a description of your site when you submit your URL, and they acquire keywords from within that description. Some sites provide separate boxes for you to enter your keywords.

Some search engines use automated software programs known as robots to gather information about web pages. These robots read the text and codes on web pages then store keywords and other information from the pages into their databases.

There are several things you can do to your web site that will prepare it and help it to be found when users do searches. These involve adding keywords to your pages within the first paragraph, within hidden [META] fields, specifying “type”, “source”, and “use”, and including keywords with your submissions.

Using keywords within the first paragraph

When a search engine uses a robot to gather information about your pages, they typically store the first few words (up to 200 characters) they find on your pages. These words are used as your keywords and are often presented as a description of your page.

Although the trend is towards graphical pages, a page that includes all graphics and no text will not likely be found during a search from many sites that use these robots to gather information. Likewise, a site that starts with a lot of promotional hype and little or no keywords will not likely be found either.

When designing a page, the author should try to use as many keywords as possible and include them within the first text that appears on the page. For example:

Poor
Welcome to AMWebCreation, Come on in and check it out! Our site has all the best website design service in the world at the lowest cost on the net and we guarantee your satisfaction . . .
Good
AMWebCreation is the best web design, development, Graphics design, SEO, SMO and professional IT training center in Gazipur, Dhaka, Bangladesh.

 

Using keywords within hidden <META> fields

Some search engine robots allow you to specify keywords, descriptions, and other information within hidden fields on your pages. When hidden fields are available, the robots use information from them rather than from the text that shows. Use the [META] tag within the [HEAD] element to do this. The basic syntax is:

<META name=”description” content=”Write your description here”>

Do not use any HTML tags within the “description” or “content” part of the META tag.

Suppose the HTML at the top of your web page looked like:

<HEAD>

<TITLE>AMWebCreation</TITLE>

<META name=”description” content=” AMWebCreation is the best web design, development, Graphics design, SEO, SMO and professional IT training center in Gazipur, Dhaka, Bangladesh.”>

</HEAD>

The following title and description would appear when your page is listed on a page of search results:

AMWebCreation Home Page

Home page AMWebCreation is the best web design, development, Graphics design, SEO, SMO and professional IT training center in Gazipur, Dhaka, Bangladesh.

Specifying keyword phrases:

You can use a second [META] tag to specify keyword phrases that further describe your web page. The basic syntax is:

<META name=”keywords” content=”Write your keywords here, in a comma separated list”>

For example:

<HEAD>

<TITLE> Your site name </TITLE>

<META name=”description” content=” Your site description. “>

<META name=”keywords” content=” Your target keywords”>

</HEAD>

Using <META> Tags to specify type, source and use

Some search engines utilize advanced forms of artificial intelligence to focus searches on specific types, sources and uses of the information provided in web pages. The AddURL form allows you to specify this information during submissions, but you should also include it within [META] Tags to allow robots to find it.

Specifying Types

The “type” field refers to the type of information that is provided on the web page. The most common types include “Home Page”, “Advertisement”, “Description”, “Entertainment”, “General”, “News”, “Personal”, “Quick Tour”, “Technical”, and “User Manual”. You should try to use one of these choices, and an example of the basic syntax is:

<META name=”type” content=”User Manual”>

Specifying Sources

The “source” field refers to the type of organization or person that is providing the information on the web page. The most common sources include “Advertise/Marketing”, “Association”, “Broker”, “Business Opportunity”, “Consultant”, “Contractor/Builder”, “Distributor”, “Education/Training”, “Engineer/Architect”, “Financial Service”, “Food/Drink Service”, “Government”, “Internet Service”, “Legal Service”, “Manufacturer”, “Manufacturer’s Rep”, “Military”, “News Service”, “Organization”, “Personal/User”, “Publication”, “Realtor”, “Research & Develop.”, “Retailer”, and “Service Provider”. You should try to use one of these choices, and an example of the basic syntax is:

<META name=”source” content=”Manufacturer”>

Specifying Uses

the “use” field refers to the primary application for which the information is intended. The most common uses include “Art & Entertainment”, “Business”, “Computers & Internet”, “General”, “Home”, “Life, Health & Sports”, “Literature & Science”, and “Transportation”. You should try to use one of these choices, and an example of the basic syntax is:

<META name=”use” content=”Art & Entertainment”>

 

Notes on Using <META> Tags and Images

Length of description and keywords

Your description can include up to 160 characters of text. The keywords can include up to 1000 characters of text.

Overusing keywords

Do not repeat the same keyword more than 7 times in the [META] tag. If you do this, the search engine may ignore the entire list of keywords.

Sites using Netscape or Microsoft frames

in your main HTML file (the file containing the [FRAMESET] tags), you should include a description of your site using [META] tags. Make sure that your description and keywords adequately summarize the contents of the frames on your page.

Sites using JavaScript

If JavaScript functions make up the first 200 characters on your page, you should use [META] tags to provide a description for your page.

Sites using images

Some sites also store the ALT attribute in the <IMG> tag. If your site mainly consists of graphics, you can also use the ALT attribute to describe your page.

Using keywords within submissions

The vast majorities of search engine and directory sites do not obtain keywords from your page automatically, and instead use information provided by you when you submit your pages to their site. Most of these sites extract the keywords from within the description text that you provide with your submission, while some require you to enter keywords in separate text boxes.

When submitting a page, the author should try to use as many keywords as possible and include them within a sentence in the description box. For example:

Title:
AMWebCreation
Keywords:
Web design
Web development
SEO
SMO
Description:
AMWebCreation is the best web design, development, Graphics design, SEO, SMO and professional IT training center in Gazipur, Dhaka, Bangladesh
Advantages of E-Commerce

Advantages of E-Commerce

Advantages of E-Commerce

Electronic E-commerce has working wonders like magic. E-Commerce has working through internet by selling and purchasing services and products as well. E-Commerce advantages can be seen in every sector of our modern lives. Likewise, marketing, shopping, consulting, design, graphics, solution, email marketing and so on. If anyone or any companies will use E-Commerce efficiently, they can broaden their national and international market with the smallest investment. In addition, any other person and organization can make their business convenient in terms of technology, supply, suitability, services and so on. It helps organizations to enhance output, quality and become well known to its consumers.

Advantages of E-Commerce for Business

With the increasing popularity of E-Commerce, now-a-days all kinds of business are depending on it with their business methods. It is quite easier than before to incorporate a workable elucidation for many business organizations. Moreover, there are several advantages which business organizations and related persons are received, and these are given below here-

In terms of Sales: Online sales are increasing dramatically from the last couple of years. Online buyer can pay their payments with PayPal, Visa card, Master Card.

  • In terms of Consumers: By seeing advertise online, people can choose their products, dress, needed goods very easily by sitting at home. Business organizations cannot attract their customers easily, and in this matter E-Commerce help them to do so.
  • 24/7 Hour services: Which business is not using E-Commerce they discover many troubles to open their business in 24/7 hours. Due to many foreign customers are also can be part of your business. So, you should be up to date all the time.
  • Immediate transaction: To transact instantly E-Commerce helps to do so. E-Commerce transactions are done within a seconds and receive fund constantly.

Advantages of E-Commerce for developing Country

Developing countries are take benefits more and go ahead with success with the help of E-Commerce. They use E-Commerce in every sector of their modern life. They reduce difficulties and use E-Commerce successfully to get prosperity. In other words, for standard products and reasonable prize, E-market place is opened. This process has zero risk with several new features. Developing countries can advertise their products to overseas and profit at foreign currencies. In addition, E-Commerce advantages are used efficiently by developing countries to get their goals. Developing countries remove their obstacles and go ahead to compete this competitive world. All the advantages are working in developing countries like blessings.

Advantages of E-Commerce for Consumers

Consumers are the most beneficial in today’s world through E-Commerce. E-commerce fulfills consumer’s needs and secures their lives. Consumers receive numerous advantages such as- 24/7 hours services, easy transaction, can buy and sell product at any where of the country. Similarly, this system provides their consumer quick delivery and more options. It has cheap and good quality products as well. People can collect information about a service and product in a quick view. Consumers do not need to travel for shop or market too. This system appearance is in any part of the world along with rural areas. Moreover, E-Commerce also helps to the Government to serve people education, healthcare, taxes and so on.

Free WordPress Themes, Free Android Games