আকর্ষণীয় অফারঃ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কোর্সে ৫০% পর্যন্ত ছাড়!

Author Archives: Mustakin Sarker

WordPress developments Benefit

WordPress developments Benefit

WordPress is the most popular content management system in the current period. It is created by PHP and MySQL. WordPress development is the best platform capable of evolving a highly responsive website.
At present, the most common and popular publishing platform WordPress. Personal blog to the corporate website being used WordPress. Moreover, some renowned companies in the world on their own websites built on WordPress platform. Now 18.1% of the total website is creating WordPress. So WordPress experts demand is increasing day by day. According to the report of freelancing marketplace, WordPress and PHP demand highly. In Bangladesh, WordPress developer demand is too more. The number of WordPress developer in Bangladesh is too poor. As a result, We are far behind in the technology sector to other countries. This could be a groundbreaking step in solving the unemployment problem. They can earn good amount of money by freelancing marketplace or find a good job.

wordpress

wordpress

Why do you choice WordPress development?
• Demand for WordPress development is high clients are willing to pay for developers who are the best in the field.
• When you are at the top, you will be the freedom to say “No” to the projects if you don’t want, and “Yes” to the projects if you want to do.
• The capability of the future of WordPress as well as the ecosystem that is creating around it.

An expert of WordPress developers to be a works hard. If you want to know WordPress theme development, firstly you should be know HTML, CSS, and also needs to JavaScript, Jquery, PHP, MySQL for next step. So you can be Seek refuge a WordPress developer or WordPress development company who provide you best service in WordPress development. you have to follow the standard guidelines of WordPress development. In order that you have to create something better and unique.

Save

আউটসোর্সিং কি, কেন এবং কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন?

আউটসোর্সিং কি, কেন এবং কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন?

আউটসোর্সিং কি

আউটসোর্সিং শব্দটি অনেকের সাথে পরিচিত। আবার অনেকের কাছে কথাটি নতুন। আউটসোর্সিং হচ্ছে তথা ফ্রিল্যান্সিং, এর অর্থ হল একটি স্বাধীন পেশা। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে কোন কাজ করে আয়ের একটি অন্যতম পেশা। একটু সহজ ভাবে বলতে গেলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কোন বা ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ধরনের কাজ প্রদান করে তা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তা করিয়ে নেয়া। নিজের প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে  কাজ করানোকেই মূলত আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন,  তারাই মূলত ফ্রিল্যান্সার।

কেন আউটসোর্সিং করবেন

বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই তথা আমাদের বাংলাদেশে আউটসোর্সিং জগতে কাজ করে এমন লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু তাদের সবাই শতভাগ সফল নয়। তারা কিছু অসৎ লোকের পাল্লায় পড়ে আউটসোর্সিং এর উপর নেতিবাচক ধারণা তৈরী হয়েছে। সবসময় মনে রাখবেন আউটসোর্সিং একটি স্বাধীন বা মুক্ত পেশা,  যেখানে আপনার ব্যক্তিগত জবাবদিহিতার চেয়ে কাজের জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই আয় করার জন্য। একটি কথা সবসময় মনে রাখবেন, আপনি যার কাছ থেকে টাকা উপার্জন করবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করেই এই অর্থ উপার্জন করতে হবে। তাই যদি হয়, আপনার কাজে যদি ত্রুটি থাকে, আপনার কাজে যদি কোন প্রকার জবাবদিহিতা না থাকে,  এবং আপনার কাজে যদি অনেক কোন স্বচ্ছতা না থাকে তবে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল হওয়া অসম্ভব। আউটসোর্সিং এ সবসময় আপনি নিজেকে দিয়ে মূল্যায়ন করবেন। আপনার কাজের দক্ষতা আপনাকে উপরের দিকে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে, তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের মধ্য দিয়ে কাজটি গ্রাহককে প্রদান করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান থেকে ছিটকে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যাবে।

কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন

আমরা আউটসোর্সিং করা যতটা সহজ ভাবি কাজটা আসলে ততটা সহজ নয়। আসলে এই পৃথিবীতে কোন কাজই সহজ নয়। আমরা ভাবি একরকম কিন্তু বাস্তবে অন্যরকম। অনেকেই চিন্তা করেন আউটসোর্সিং করে ঘরে বসেই খুব সহজে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা যায়। কিন্তু বাস্তবে অনলাইনে আয় করার চিত্রটা একটু ভিন্ন। আপনার যদি অনলাইনে কাজের দক্ষতা থাকে তাহলে শুধুমাত্র আউটসোর্সং নয় অন্য যেকোন সেক্টরে আপনি খুব সহজেই সফল হতে পারেন। আউটসোর্সিং এর ভিন্নতা হল, এখানে (আউটসোর্সিং) কাজ করা এবং অনলাইনে কাজ পাবার স্বাধীনতা আছে যা আপনি অন্য কোন সেক্টরে তা পাবেন না। পার্থক্য হল আপনার পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এখানে করা হবে।  অন্যান্য পেশায় যার জন্য প্রতিনিয়ত কর্তাদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মন কাষাকষি হরহামেশই লেগেই থাকে, যা আউটসোর্সিং করলে আপনি পাবেন না। এক কথায় আউটসোর্সিং হল উপযুক্ত কাজ করে এবং তা থেকে সহজ পদ্ধতিতে আয় করার একটি অন্যতম উৎস। যেখানে আপনার সফল হতে হলে, অবশ্যই আপনাকে প্রথমেই দক্ষতা অর্জন করতে হবে, এবং কাজ করার জন্য আপনাকে সঠিক মার্কেটপ্লেসে বেচে নিতে হবে।

কিভাবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন

ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হলে আপনাকে নির্দিষ্ঠ একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যেমন-ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি এ সকল বিষয় সমূহের মধ্যে যে কোন একটি জানতে হবে। শুধু এই বিষয় গুলোই নয় আরও অনেক ক্ষেত্র আছে যা শিখে আপনি আউটসোর্সিং করতে পারবেন। আপনি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে যে কোন বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আপনি মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন।

এ সম্পর্কিত যে কোন প্রশ্ন, কৌতুহল, জিজ্ঞাসা, কিংবা আরও বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

কেন ভাল মানের ডোমেইন হোস্টিং ব্যবহার করবেন?

কেন ভাল মানের ডোমেইন হোস্টিং ব্যবহার করবেন?

ডোমেইন বা হোস্টিং কি?

সংক্ষেপে বলতে গেলে ডোমেইন হচ্ছে ওয়েবসাইটের নাম আর হোস্টিং হচ্ছে প্রদত্ত ওয়েবসাইটের স্পেস বা জায়গা। বৃহৎ ভাবে বলতে গেলে যদি আপনি ওয়েব সাইটকে একটা বাড়ির সাথে তুলনা করেন তাহলে হোস্টিংকে বলতে পারি সেই বাড়ির জন্য প্লট বা জমি। আর ডোমেইন হলো সেই বাড়ির ঠিকানা। যেমন আমার বাড়ি গাজীপুরে। আমার বাড়ির ঠিকানা যদি আপনি জানেন তাহলে খুব সহজেই আমার বাড়িতে  চলে আসতে পারবেন, ঠিক তেমনি একটা ওয়েব সাইট এর ঠিকানা যদি আপনি জানেন তবে একই ভাবে ঠিকানা প্রেস করে আপনি ঐ ওয়েব সাইটে চলে যেতে পারবেন।

আপনি কেন ভাল মানের ডোমেইন হোস্টিং ব্যবহার করবেন

ধরুন, আপনি বাড়ি বানানোর আগে এমন জমি কিনলেন যা পূর্বে হয়তো নালা বা পুকুর ছিল। পেয়ে গেলেন খুব কম দামে। এবার আপনি বলুন, এমন জায়গায় কি আপনার বাড়ি খুব বেশি টেকসই হবে?

না! এই জায়গায় আপনার বাড়ি সব সময় ঝুকিতে থাকবে। এর বাস্তব উদাহরণ হচ্ছে রানা প্লাজা।

আসুন এবার জেনে নেই কি কি সমস্যা ফেস করতে হতে পারে সস্তা ডোমেইন ও হোস্টিং এর ক্ষেত্রেঃ

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, হোস্টিং এর ক্ষেত্রেঃ

১। অনেক সময় ওয়েবসাইট ডাউন থাকে। ওয়েবসাইটে ঢুকতে গেলে লোড হতেই থাকে। যদিও এই ডাউন টাইম হয়তো খুব বেশি সময়ের জন্য নয়। তবে এটা আপনার ওয়েবসাইটের SEO এর জন্য খারাপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে। অনেক ভিজিটর হারাবেন। ভিজিটর আপনার সাইটে ঢুকতে গিয়ে এরকম ডাউন অবস্থা পেলে পরবর্তীতে আপনার সাইটে ঢুকতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

২। আইপি জনিত সমস্যা হইতে পারে। এটা সস্তা হোস্টিং এর জন্য খুবই সাধারণ সমস্যা। এই ধরনের হোস্টিং এ সাইট হোস্ট করা হলে অনেক আই পি থেকেই সাইট ওপেন হবে না।

৩। আর একটা কমন সমস্যা হতে পারে, সেটা হলো যেকোন সময় কোন কারন ছাড়াই আপনার ওয়েবসাইট ডিলিট হয়ে যেতে পারে। আপনার অনেক টাকা খরচ করে বানানো সাইট ডিলিট হয়ে যায় তবে তো ফ্রী হোস্টিং ই অনেক ভাল।

ডোমেইন এর ক্ষেত্রেও কি সমস্যা হতে পারে ?

হ্যা, ডোমেনেও সমস্যা হয়। সর্ব প্রথম সমস্যা হতে পারে DNS নিয়ে। আই পি জনিত সমস্যাও হতে পারে।

ফ্রী হোস্টিং এ সমস্যা কোথায় ? কেনো ফ্রী হোস্টিং ব্যাবহার করবেন না ?

১। প্রফেশনাল ওয়েব সাইট তৈরীর ক্ষেত্রে ফ্রী হোস্টিং কখনো কার্যকর হতে পারে না।

ফ্রী হোস্টিং কোন প্রকার কারণ দশানো ছাড়াই ওয়েব সাইট ডিলিট করে দিতে পারে। যখন তাদের সি পি ইউ বেশি যাবে তখন প্রায় নিশ্চিত হতে পারেন আপনার একাউন্ট যাবে।

২।আর একটা সমস্যা খুব ই সাধারণ, আপনার সাইটে ভিজিটর একটু বেশি আসলেই সাইট স্লো হয়ে যাবে অর্থাৎ সাইট লোড হতে অনেক বেশি সময় লাগবে। ফলে এই ধরনের ওয়েবসাইটে পরবর্তিতে ভিজিটর আর আসতে চাইবে না।

তবে অনুশীলন করার জন্য ফ্রী হোস্টিং ব্যবহার করতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে আমার একটা কথা আছে। ফ্রীতে সাধারনত কেউ সি প্যানেল দিবে না। সেই ক্ষেত্রে আপনি সি প্যানেলের ইন্টারফেসের সাথে পরিচিত হতে পারবেন না। সেই সাথে সি প্যানেলের সুবিধা থেকেও আপনি বঞ্চিত হবেন।

ডোমেইন হোস্টিং কেনার সময় কি কি জিনিস মনে রাখবেন ?

যাদের কাছে থেকে আপনি ডোমেইন বা হোস্টিং নিচ্ছেন তাদের পূর্বের রেকর্ড কেমন। তাদের লাইভ সাপোর্ট কেমন হবে। অনেকেই ২৪/৭ লাইভ সাপোর্ট দেবার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তিতে তা পাওয়া যায় না। সস্তা ডোমেইন বা হোস্টিং থেকে কিছুটা দূরে থাকার চেষ্টা করবেন। যারা আপনাকে সারাবছর সার্ভিস দেবে তারা আপনাকে কখনো সস্তায় ডোমেইন বা হোস্টিং দিবে না।

ডোমেইন ও হোস্টিং কেনার আগে যার কাছ থেকে কিনতে যাচ্ছেন তার সম্পর্কে একটু ভালভাবে খোজ খবর নিয়ে নেবেন। অভিজ্ঞ যারা আছেন তাদের কাছে থেকেও জেনে নিতে পারেন বাংলাদেশে কারা ভাল ডোমেইন হোস্ট সার্ভিস  প্রভাইড করে।

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন ডোমেইন হোস্টিং প্রভাইডিং কোম্পানী যারা বিগত তিন বছর যাবৎ বাংলাদেশে সাফল্যের সাথে ডোমেইন হোস্টিং সেবা দিয়ে আসছে। আপনি এ ব্যাপারে তাদের সরণাপন্ন হতে পারেন।

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট কি এবং কেন?

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট কি এবং কেন?

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে পুরস্কার বিজয়ী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যার মাধ্যমে খুব সহজেই একটি রেডি ম্যাট ওয়েব সাইট তৈরী করা যায়। তাছড়া সিএমএস এর মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস সর্বাধিক জনপ্রিয়।

আমাদের কাছে অনেকেই আসেন যারা ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে কিছুই জানে না কিন্তু শিখতে চান। আসলে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে কোন নির্দিষ্ঠ বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে তবেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। যেমন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, স্যোসাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন, ই-কমার্স ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। আপনি যদি কোন কাজ না পারেন তাহলে তো বায়ার আপনাকে কাজ দিবেনা কিন্তু আপনি যদি কাজ পারেন তবে আপনি উক্ত বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের জন্য আবেদন করবেন যদি আপনার কাজ তাদের পছন্দ হয় এবং যদি তারা মনে করে আপনি তার কাজ ভাল ভাবে করে দিতে পারবেন তাহলে আপনাকে কাজ দিবে। আর এজন্য আপনাকে প্রস্তুত করতে হবে। এখন প্রশ্ন হল কিভাবে প্রস্তুত হবেন? ধরুন আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ পারেন তাহলে আপনাকে কিছু বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট ডেমো করে আপনার প্রোফাইলে রাখতে হবে। তাহলে বায়ার আপনার কাজ গুলো দেখে বুঝবে যে আপনি কাজ করতে পারবেন এবং আপনাকে কাজ দিবে।

কেন শিখবেন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট ?

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং পাবলিশিং প্লাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেস। ব্যক্তিগত ব্লগ থেকে শুরু করে কর্পোরেট সকল ক্ষেত্রেই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার হচ্ছে। তৈরী হয়েছে অসংখ্য সাইট, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদাও বাড়ছে। গত কয়েক বছরে যা ছিল চোখে পড়ার মত এবং অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও এর চাহিদা একটুও কমেনি।

আসলে কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলো প্রতিনিয়তই বাড়ছে, এর মাঝে তুলনামূলকভাবে  সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস। বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অধিকাংশ সাইট ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা তৈরী।  তাছাড়া বর্তমানে বিশ্বের নামিদামি কিছু কোম্পানী তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটও তৈরী করেছে ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে। আর ২০১৭ সালে আশা করা যাচ্ছে এই ট্রেন্ড বাড়বে আরো বহুগুণে।

ওয়েবসাইট তৈরীতে অন্যান্য সিএমএস এর তুলনায় ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারের তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। কার্যত এক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগও বাড়ছে সেজন্যে। ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে সফলতার সাথে কাজ করছে এমন একটি প্রতিষ্ঠান থিমশ্যাকারের মতে এই বছর ওয়েব সাইটের জগতে রাজত্ব করবে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট। কারণ ডিজাইন ট্রেন্ডই নির্ধারণ করে দেয় একটি থিম একজন ক্রেতার নিকট কতটুকু আকর্ষণীয়। তাছাড়া ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের অনলাইন এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট অনুযায়ী ওয়ার্ডপ্রেস এবং পি এইচ পির কাজের চাহিদা রয়েছে চাহিদার শীর্ষে। এ পর্যন্ত কাজ পোস্ট হয়েছে ৫ লাখ ২৭ হাজার একশত ৯৫টি, প্রবৃদ্ধি ১৪ শতাংশ। জব প্রতি গড় বাজেট ৯ শত ৫০ ডলার এবং ঘন্টা প্রতি কাজের রেট ২১ ডলার।

এজন্য যা জানতে হবে-

একজন দক্ষ ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হওয়া কঠিন কাজ। তবে লেগে থাকলে অবশ্যই শেখা সম্ভব। ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করার জন্য অবশ্যই এইচটিএমএল,সিএসএস জানতে হবে। সেই সঙ্গে জেকুইয়ারী, জাভাস্ক্রিপ্ট এবং ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্যে পি এইচ পি এবং মাইএসকিউএল জানার প্রয়োজন হবে। আর কেবল ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্টের জন্য এইচটিএমএল, সিএসএস এবং ওয়ার্ডপ্রেস ফ্রেমওয়ার্কেরও ব্যবহার জানা থাকলেই চলবে। তাই চেষ্টা করুন এক্সপার্টের চেয়ে বেশি কিছু হতে।

কেন হতে হবে সেরা ডেভেলপার-

যদি ভাল কিছু করতে চান তবে কেন গড়পড়তা অবস্থায় পড়ে থাকবেন। এমন গড়পড়তা অবস্থায় অনেকেই আছে, তাদের চেয়ে বেশি কিছু করার চেষ্টা করুন। তাছাড়া সেরা হবার আরো কিছু কারণ আছে।

আয়ের নিশ্চয়তা- ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্টের আয় করতে হলে আপনাকে ভাল কিছু করতে হবে। আপনি যদি ভাল কিছু করতে পারেন তবে আপনি নিশ্চিত আয় করতে পারবেন।

সেরা ক্লায়েন্ট বেচে নেওয়ার সুযোগ- যখন নিজেকে নিয়ে যাবেন সফলতার শীর্ষে, তখন  খুজে পাবেন কাজের স্বাধীনতা। কোন কাজটি করবেন তা নিজের ইচ্ছেমত বেছে নিতে পারবেন।

কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শিখবেন?

গাজীপুরে প্রতিষ্ঠিত এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন দেশের আইটি কোম্পানি। সেখানে হাতে কলমে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শেখানো হয়। আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন?

পৃথিবীটা কম সময়ের মধ্যে ডিজিটাল পৃথিবীতে পরিণত হতে চলেছে। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ,  এবং আরো অনেক ইলেক্ট্রনিক্স এর মাধ্যমে ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহার মানুষের একটি দৈনিক অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই এখনো তাদের বিপণন কৌশলে এটার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে পারছেনা। সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং এর চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত ,বহুমুখী বাস্তব সম্মত। ডিজিটাল মার্কেটিং একই সাথে ভোক্তা এবং বিপনণকারী উভয়েরই সমান উপকারে আসে। সুতরাং যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে মার্কেটিং এর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ইন্টারনেট প্রযুক্তি মাধ্যমে মার্কেটিং পদ্ধতিই হল ডিজাটাল মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং ভোক্তাদের নিকট যে কোন সময় যে কোন প্রকার তথ্য পৌছে দেয়ার জন্য অন্যতম। ধরুন ডিজিটাল মিডিয়া টেলিভিশন একমুখী প্রচার মাধ্যম। এর মাধ্যমে ভোক্তার রুচি চাহিদা সম্পর্কে অবগত হওয়া যায় না। ডিজিটাল মিডিয়া খবর, বিনোদন,  কেনাকাটা এবং সামাজিক ইন্টারঅ্যাকশন একটি সদা বর্ধমান উৎস এবং ভোক্তাদের এখন না শুধু আপনার কোম্পানি আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে বলেছেন, কিন্তু  মিডিয়া, বন্ধু, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মীরা, কি বলছে সেটা যেমন উন্মুক্ত হয় এবং তারা আপনার চেয়ে তাদের বিশ্বাস করার সম্ভাবনা বেশি। মানুষ তাদের চাহিদা এবং পছন্দ মতন তারা বিশ্বাস করতে পারেন ব্রান্ডের। ডিজিটাল মার্কেটিং একমাত্র পদ্ধতি যা সর্ব স্তরের ক্রেতা এবং ভোক্তার নিকট পৌছানো যায়। এবং তাদের ব্র্যান্ড সম্পর্কে তাদের মতামত সরাসরি জানা যায়।

কেন ডিজিটাল মার্কেটিং?

প্রথমত, ডিজিটাল মার্কেটিং প্রচলিত অফলাইন মার্কেটিং পদ্ধতির চেয়েও আরও বেশি সাশ্রয়ী হয়। একটি টিভি বিজ্ঞাপন বা সংবাদপত্র অ্যাড এর চেয়ে খরচ অনেক কম। তাছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বহু সংখ্যক সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে পৌঁছতে পারে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রতিটি ধাপ এবং পর্যায় আপনি পরিমাপ করতে পারেন। কোন ডিজিটাল মিডিয়া আপনার কতটা কাজে আসছে? কতজন প্রতিদিন অ্যাড হচ্ছে? কতজন লাইক দিচ্ছে? ওয়েবসাইটে কতজন প্রতিদিন ভিজিট করছে প্রতিটা কার্যক্রম পরিমাপযোগ্য। আপনার যদি ওয়েবে উপস্থিতি না থাকে, কিভাবে আপনি সম্ভাব্য ক্রেতাদের আপনাকে খুঁজে পাবে বলে আশা করেন? ইন্টারনেটে চমৎকার কন্টেন্ট, চমৎকার প্রোডাক্ট গ্যালারী, চমৎকার প্রোডাক্ট রিভিউ থাকে তাহলে মানুষ আপনার ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ধরে নেবে। আপনি যদি সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে গ্রাহকদের এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে যুক্ত থাকেন, তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন তাহলে,আপনি তাদের সঙ্গে বিশ্বাস গড়ে তুলতে পারবেন আর তখন তারা আপনার প্রতিযোগীদের কাছে নয় আপনার কাছে আসবে।

অনলাইনে এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৯২% ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যারা ব্লগিং করে তারা অনলাইনে নতুন গ্রাহক পায়, প্রায় প্রতিদিন। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রায় ১০০% বেশি লিড আসে অন্যান্য মার্কেটিং এর তুলনায়, প্রায় ৭৭% ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের নতুন গ্রাহক পায় ফেসবুক থেকে। মনে রাখবেন আপনার গ্রাহকরা বেশিরভাগ সময় আছেন অনলাইনে এবং এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অনলাইন ডিজিটাল মার্কেটিংএ আপনাকে এমন নতুন কোন চমৎকার কৌশল ধরে রাখতে হবে, যা সর্বদা আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে রাখবে। আপনাকে এমন কিছু করতে হবে আপনার প্রতিযোগীদের চিন্তায় যা আসে নি।

কিভাবে শিখবেন ডিজিটাল মার্কেটিং?

বাংলাদেশে ওয়েবসাইট ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি শেখার অনেক ট্রেনিং সেন্টার পাবেন কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার জন্য ভাল কোন ট্রেনিং সেন্টার একমাত্র গাজীপুরের এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন। আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং অন্য কোন উপায়ে শিখতে পারবেন না। শিখতে পারলেও আপনি ভাল কোন কাজ করতে পারবেন না।

তবে আর দেরী কেন এখনি চলে আসুন আমাদের এই ঠিকানায়।

AMWebCreation
House#1069, Sheikh Manshion, Shibbari Road,
(Opposite of Siam CNG Pump), Gazipur Chowrasta,
Gazipur City Corporation, Gazipur
Telephone: 0249263136
Mobile: 01881049394
E-mail: amwebcreation@yahoo.com

জুমলা ডেভেলপমেন্ট কি এবং এর সুবিধা

জুমলা ডেভেলপমেন্ট কি এবং এর সুবিধা

জুমলা একটি পুরস্কার বিজয়ী কন্টেন্ট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (সিএমএস) যা ব্যবহার করে আপনি ব্লগ, ফোরাম, সংবাদপত্র, সামাজিক নেটওয়ার্ক, পোর্টাল সহ যেকোন ধরণের ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন। তবে, এটা ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কিছুটা ডিফারেন্ট । জুমলা তৈরি করা হয়েছে PHP প্রোগ্রমিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে এবং তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয় MySQL ডাটাবেস।

জুমলা ডেভেলপমেন্ট এর ইতিহাসঃ
২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সর্বপ্রথম জুমলার আবির্ভাব হয়। এরপর ক্রমেই জুমলা ডেভেলপমেন্ট এর চাহিদা বেড়েই চলছে । জুমলার ডেভেলপার একক কোন ব্যক্তি নয় । জুমলা ডেভেলপমেন্ট বিশ্বের হাজার হাজার ডেভেলোপার কাজ করেছন। গত ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখে ওয়ার্ডপ্রেস এর সর্বশেষ ভার্সন ৩.১ প্রকাশিত হয়। ২০১৩ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত জুমলা ডেভেলপমেন্টের সংস্করণ ৩৫ বিলিয়ন বারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে ।

জুমলা ডেভেলপমেন্ট এর সুবিধাঃ
  সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।
 জুমলা এমন একটি শক্তিশালী সিএমএস প্রোগ্রাম, যা দিয়ে আপনি ইচ্ছা মতো যে কোন ধরনের ওয়েব সাইট খুব সহজেই তৈরি করতে পারবেন৷
 এটি ইচ্ছেমত Customize করা যায়।
 স্কুল, কলেজ, ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র ইত্যাদি সাইট তৈরি করতে জুমলা ব্যবহার করা হয়।
 ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা যেকোন ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট সাইট করতে জুমলা ব্যবহার করা হয়।
 এখানে রয়েছে অসংখ্য থিম এবং প্লাগিন্স।
 জুমলা দিয়ে তৈরী করা ওয়েবসাইট ডেভেলপ করার জন্য জুমলা ডেভেলপার খুবই সহজলভ্য।
  এর সিকিউরিটি সিস্টেম অত্যন্ত শক্তিশালী।
 এখানে আপনার রয়েছে পূর্ণ স্বাধীনতা। আপনার সাইটের সবকিছু আপনি নিয়ন্ত্রন করবেন।

কিভাবে শিখবেন
জুমলা ডেভেলপমেন্ট শেখার কয়েকটি উপায় রয়েছে প্রথমেই বলি ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে আপনি জুমলা ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি একেবারেই নতুন হন তবে এ পদ্ধতিটি আপনার জন্য কাজে আসবে না। দ্বিতীয় পদ্ধতিটি ব্লগ পড়ে আপনি জুমলা ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন। তবে আপনি এই ব্লগ এর বাইরে কিছু শিখতে পারবেন না। সুতরাং আপনাকে ব্লগ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকতে হবে।
আপনি যদি ভাল ভাবে জুমলা ডেভেলপমেন্ট শিখতে চান, তবে আপনাকে কোন ট্রেনিং সেন্টারে যেতে হবে। এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন ভাল মানের আইটি ট্রেনিং সেন্টার। যেখানে আপনে খুব ভাল ভাবে জুমলা ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারবেন।

তাছাড়া আপনি উক্ত প্রতিষ্ঠানে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সিএমএস ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন।
আপনি যদি কোন ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তবে উক্ত প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করতে পারেন।

আমাদের অফিসের ঠিকানাঃ
এএম ওয়েব ক্রিয়েশন
১০৬৯, শেখ ম্যানশন, জয়দেবপুর রোড (সিয়াম সিএনজি পাম্পের বিপরীত পাশে), গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।
ওয়েবসাইটঃ www.amwebcreation.com

Responsive website design and development course

Responsive website design and development course

ফ্রীল্যান্সিং জগতে সৃজনশীল কাজের নাম হল ওয়েবসাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট। এই পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট রয়েছে। আপনি যদি সৃজনশীল হন তবে এরকম ওয়েবসাইট আপনিও তৈরি করতে পারবেন? তাছাড়া গ্রাহকের ওয়েবসাইট তৈরি করে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকেও প্রচুর টাকা আয় করার সুযোগতো রয়েছে।

কারণ ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে জনপ্রিয় কাজগুলোর মধ্যেও ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট অন্যতম। ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিন ওয়েব ডিজাইনের অনেক কাজ যুক্ত হচ্ছে, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওয়েব ডেভেলপারদের চাহিদা। আর কাজের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথেই বাড়ছে দক্ষ ডেভেলপারদের কাজের ক্ষেত্র। যারা এ কাজের সাথে যুক্ত আছেন তাদের আয়ের পরিমানও তুলনামূলক ভাবে অনেক ভালো, সেই সাথে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছেন নতুন অনেক ওয়েব ডেভেলপার। চাইলে আপনিও এই সম্ভাবনাময় জগতে পা রাখতে পারেন।

যদি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর সব ব্যাপার গুলো সঠিকভাবে শিখতে পারেন তবে এটি নিশ্চিত করে বলা যায় আপনার কাজের অভাব হবেনা। শর্ত হচ্ছে, আপনার সাইট তৈরির দক্ষতা হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের। তবে এজন্য আপনাকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ভাল ভাবে রপ্ত করতে হবে।

যারা ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্টে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাঁদের জন্যই আমরা আয়োজন করছি তিন মাসব্যাপী প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ, এবং সাথে থাকছে রেসপনসিভ ওয়েবসাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী যেহেতু নন-ডেস্কটপ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে সেই সাথে রেসপনসিভ ওয়েব ডিজাইনারদের চাহিদাও বেড়েই চলেছে। তাই এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন এর এবারের কোর্স রেসপনসিভ ওয়েবসাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট। কোর্সটি সম্পন্ন করার পর আপনিও হয়ে যেতে পারেন আন্তর্জাতিক মানের ওয়েবসাইট ডিজাইন ডেভেলপার।

এই কোর্সে যা যা শেখানো হবে?

 Introduction to Web design
 Intro to responsive web design
 Introduction to Photoshop
 UI kit making
 Web UI making
 Overall Review
 HTML – Elements
 HTML – Review
 CSS
 PSD to HTML/CSS Conversion: Project 1
 PSD to HTML/CSS Conversion: Project 2
 CSS Grid System, Responsiveness & Twitter Bootstrap
 Introduction to JavaScript
 JavaScript & DOM
 JavaScript Library: jQuery
 Working with jQuery
 JQuery in Practice
 Review & QA
 MYSQL
 WORDPRESS
 PHP

মোট কথা, তিন মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণটিতে রেসপনসিভ ওয়েব ডিজাইন শেখানো হবে। তার সাথে ফটোশপ, এসইচটিএমএল, পিএসডি, ওয়ার্ডপ্রেস, সিএডিজাইন, জাভাস্ক্রিপ্ট বেসিক, রেসপনসিভ লেআউট, এবং পিএসডি টু এইচটিএমএল কনভার্সন সহ পূর্ণ ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শেখানো হবে। ওয়েব ডিজাইনের এ প্রশিক্ষণটি সমাপ্ত করার পর যেকোন ওয়েবসাইট তৈরির কাজ তো করতে পারবেনই, পাশাপাশি ওয়েবসাইটের পিএসডি তৈরি, পিএসডি থেকে এইচটিএমএল কনভার্সন, জাভাস্ক্রিপ্ট লাইব্রেরি সংক্রান্ত কাজও করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন শিখবেন

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন শিখবেন

বর্তমানে বাংলাদেশের স্বপ্নের ও সবচেয়ে দামী ক্যারিয়ারের নাম গ্রাফিক্স ডিজাইন। কোটি কোটি ডলারের এই বাজারে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের অনেক ডিজাইনার সুনাম অর্জন করেছে। ফ্রীল্যান্সিং ওয়েবসাইট গুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য আনুযায়ী সামনের দিন গুলোতে এই ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো আরও অনেক বেশী প্রতিষ্ঠিত হবে এবং উক্ত উৎস থেকে অর্থ উপার্জন এর সম্ভাবনাও বাড়বে।
আমরা জানি বর্তমান ডিজিটাল যুগে গ্রাফিক্স ডিজাইন অবশ্যই অতি আকর্ষণীয় ক্রিয়েটিভ একটি পেশা। প্রায় সকল ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স ডিজাইনের ব্যবহার দেখা যায়। বর্তমানে আমাদের চারপাশে এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রয়োজন নেই। সুতরাং বুঝতেই পারছেন গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা কি পরিমাণ বেড়েছে এবং এটা যে এখন পর্যন্ত বেড়েই চলেছে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।
কাজেই বিভিন্ন ধরণের কর্পোরেট রিপোর্টস, জার্নাল, ইন্টারঅ্যাক্টিভ মিডিয়া, মার্কেটিং, ব্রোশিউর, সংবাদপত্র এবং বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্টান গুলোতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা, মূল্যায়ন ও বাজারদর এখন প্রায় আকাশছোঁয়া। এছাড়াও ফ্রীল্যান্সার মার্কেটপ্লেস গুলোতেও গ্রাফিক্স ডিজাইনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। 99desgin.com, elance.com, freelancer.com, guru.com, Upwork.com ইত্যাদি সাইটগুলোতে গিয়ে দেখতে পারেন, প্রতিদিন শত শত কোম্পানি বা ক্লায়েন্ট গ্রাফিক্সের কাজ এর জন্য দক্ষ ডিজাইনারের সন্ধান করছে এবং এইসব দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদেরকে অনেক ভাল স্যালারি দিয়ে হায়ার করে নিচ্ছে।
যে ভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখবেনঃ
আপনারাও হয়তো আর অন্য সবার থেকে পিছিয়ে থাকতে চাচ্ছেন না। তাই অনেকেই এখন বেশ আগ্রহ সহকারে শিখতে চান। আবার অনেকেই হয়তো বুঝতে পারছেন না কোথায় গেলে সঠিক ভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ  শিখতে পারবেন। এজন্য প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকার পরও তারা নিজেকে এগিয়ে নিতে পারছেন না।
গ্রাফিক্স ডিজাইন তিনটি উপায়ে শেখা যায়। যেমন, ১) ব্লগ পড়ে ২) ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ৩) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
প্রথমে আসা যাক ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখাটা একটু জটিল। ভিডিও দেখে শিখতে গেলে আপনাকে ঐ ভিডিওর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। ব্লগ পড়ে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারেন। তবে আপনার চাহিদা অনুসারে শিখতে হলে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যেতে হবে। তাছাড়া আপনি যদি একেবারেই নতুন হবে ব্লগ পড়ে বা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে খুব একটা কাজে আসবে না। আমার জানামতে এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন ভাল মানের গ্রাফিক্স ডিজাইন ট্রেনিং সেন্টার তাছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠানে আপনি ধারাবাহিক ভাবে ওয়েব ডিজাইন (Web Design), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (Web Development), গ্রাফিক্স ডিজাইন (Graphics Design), এসইও (SEO) এবং ফ্রীল্যান্সিং (Freelancing) ইত্যাদি বিষয় সমূহ শিখতে পারবেন।

কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করা হয়?

কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করা হয়?

ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি।ইমেইলের মাধ্যমে পন্য বা সেবার প্রচারকে ইমেইল মার্কেটিং বলে। এর মাধ্যমে আপনি আপনার পন্য বা সেবার প্রচার করতে পারবেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন এই পদ্ধিতির মাধ্যমে করে থাকে।

ইমেইল মার্কেটিং এর সুবিধাঃ

কিছুদিন পূর্বে ইমেইলকে শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ধারণা করা হত কিন্তু বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে এর অনেক উন্নয়ন ঘটেছে। ইমেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের ছোট বড় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান তাদের পন্যের প্রচারের জন্য ইমেইল মার্কেটিং করে থাকে।
•  এর মাধ্যমে অল্প পরিশ্রমে বেশি পরিমাণে টাকা আয় করা যায়।
•  প্রোগ্রামিং জানতে হয় না।
•  ব্যবসার জন্য উচ্চ হোস্টিং ফি খরচ করতে হয় না।
•  নিজের বা অন্যের পণ্য বিক্রি, এফিলিয়েট পন্যের বিক্রয়কৃত কমিশন ইত্যাদি অসংখ্য আয়ের ক্ষেত্র রয়েছে।
• অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য রিভিউ লিখে পূর্বেই সেই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ আয় করতে পারেন।

কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করা হয়?

ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট, মার্কেটিং উপকরণ এবং পন্য বা সেবা। আপনি চাইলে নিজের পন্য বা সেবা যেমন ইবুক, টিউটোরিয়াল তৈরি করে বিক্রয় করতে পারেন অথবা অন্যের পণ্য ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিক্রয় করে কমিশন পেতে পারেন অথবা বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের রিভিউ দিয়ে বা অন্য কোথাও ভিজিটরকে রেফার করে আয় করতে পারেন। এখানে একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হল আপনার সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা। আপনার যদি মাত্র ১০ জন সাবস্ক্রাইবার থাকে তবে তা থেকে আপনি আয় করতে পারবেননা এজন্য প্রথমেই আপনাকে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা বৃদ্ধির দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার যত সাবস্ক্রাইবার থাকবে আপনি তত আয় করতে পারবেন এবং তত আয়ের নতুন নতুন মধ্যম তৈরি হবে।

ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে মুহূর্তেই আপনি আপনার পণ্য বা সেবাকে হাজারো গ্রাহকের নিকট এর কার্যকারীতা ও ব্যবহারবিধি তুলে ধরতে পরবেন এর ফলে আপনার পন্য বা সেবাটি জনপ্রিয় হতে থাকবে। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্য বা সেবার বিক্রয় বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
বর্তমানে কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যাদের মাত্র একটি প্রধান পেজ থাকে এবং শুধুমাত্র তারা ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করে থাকে। অনলাইনে সার্চ দিলে এ সংক্রান্ত অনেক ওয়েবসাইট পাওয়া যাবে।

কিভাবে শিখবেন ই-মেইল মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং শেখার জন্য আপনাকে প্রচুর ধৈর্য ধারণ করতে হবে। আপনি ব্লগ পড়ে কিংবা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ই-মেইল মার্কেটিং শিখতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি একেবারেই নতুন হন তবে এটি খুব একটা কাজে আসবে না। নতুনদের জন্য আমার উপদেশ হল ভাল মানের ট্রেনিং সেন্টার। আমাদের দেশে ই-মেইল মার্কেটিং ট্রেনিং সেন্টারের অভাব নেই কিন্তু ভাল মানের ট্রেনিং সেন্টারের অভাব রয়েছে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, গাজীপুরে প্রতিষ্ঠিত এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন বাংলাদেশের সেরা ই-মেইল মার্কেটিং ট্রেনিং সেন্টার। আপনি তাদের সরণাপন্ন হতে পারেন।

Outsourcing Training Center in Dhaka Bangladesh

Outsourcing Training Center in Dhaka Bangladesh

There are many outsourcing training center in Dhaka Bangladesh: but most of them are not a good trainer or not well educate to built and new nation with good train. Some of the trainer do not know how to works at freelancing marketplace.

Especially they has not account in any freelancing marketplace. They are trained up some of the Undeveloped training center, watching YouTube video tutorial or reading blog to target earn dollar. When they were failure to earning dollar in freelancing marketplace then they were decided to open an outsourcing training center in Uttara Dhaka, Dhanmondi, motijheel, gulshan, or other renowned place.

Later some of the students take up training of them. As a result they are also failure to success, build a negative attitude against of outsourcing or freelancing, lost their valuable time and they were damaged by finance.

Now I have a question why are they making rashness?
Answer: They are making huge money in easy way.

Freelancing is a most valuable way to solve the Unemployment problem in globally specially in Bangladesh. This sector could become a landmark for the people of Bangladesh. For this reason Bangladesh has needs more qualityful trainer and training center what can give up proper training or qualityful service.

To build a grateful nation we have start amwebcreation.com. Now a day amwebcreation.com is a famous established website design development & freelancing training center in Bangladesh. We have seven well educated staff members who are ready to make your like easy with freelancing market place and give you better support on development.

What we can do for you?

Website design, development,
eCommerce development
Free classified website
School management
New portal, blog
Personal website

What makes our web development is best?
web-development
So ready to make your sense!! Contact with us

AMWebCreation
House#1069, Sheikh Manshion, Shibbari Road,
(Opposite of Siam CNG Pump), Gazipur Chowrasta,
Gazipur City Corporation, Gazipur
Telephone: 0249263136
Mobile: 01881049394

Save

Save

Save

Free WordPress Themes, Free Android Games