আকর্ষণীয় অফারঃ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কোর্সে ৫০% পর্যন্ত ছাড়!

ফ্রীল্যান্সিং

ফ্রিতে শিখুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং আর জানুন অনলাইন আরনিং এর A to Z

ফ্রিতে শিখুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং আর জানুন অনলাইন আরনিং এর A to Z

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর যেকোন ধরনের কাজ ফ্রিতে শিখতে এবং অনলাইন আরনিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি হতে পারে আপনার কাছে অনলাইন আরনিং এর জন্য সেরা গাইডলাইন।

আমি আজকে আপনাদের সামনে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বাংলাদেশ থেকে কি কি কাজ করলে ভালো হয় এবং কোন কোন কাজ করলে অনেক বেশি আয় করা যায়, কার জন্য কোন কাজ করলে ভাল হবে ইত্যাদি। আপনি যদি আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়েন। তাহলে এখান থেকে পেয়ে যেতে পারেন আপনার জন্য সঠিক কাজটির দিক নির্দেশনা।
ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বাংলাদেশ থেকে কোন কোন কাজ করলে আপনি অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন এবং অনেক বেশি আয়ও করতে পারবেন তার একটা তালিকা নিচে দেওয়া হল।

১। ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট
২। গ্রাফিক্স ডিজাইন
৩। ইউটিউব
৪। অনলাইন মার্কেটিং
৫। ব্লগিং

যদিও অনলাইনে প্রায় ৫০০ এর বেশি ধরনের কাজ আছে। কিন্তু আমরা সবসময় সবাইকে এই ৫ ধরনের কাজ করার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি। সাধারণত সবাইকে বলতে শোনা যায় যে “কোন কাজ টি করলে আমার জন্য ভালো হবে, কিভাবে কোথা থেকে শিখবো, কোথা থেকে কাজ পাবো” এই ধরনের অনেক প্রশ্ন। আজ আমি এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। এবার তাহলে ধারাবাহিক ভাবে প্রতিটি কাজ নিয়ে নিচে আলোচনা শুরু করা যাক।

ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টঃ

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের স্থানটা সবার উপরেই রাখতে হবে। কারণ প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের চাহিদা অনেক বেশি। কাজ ভাল পারলে অনেক বেশি আয়ও করা যায়। অনেক ডেভেলপার আছে যারা প্রতি সপ্তাহে ১/২ টি কাজ করে ৫০০ থেকে ৬০০ ডলারের বেশি আয় করে। আর একটা বড় সুবিধা হল ওয়েব ডেভেলপাররা ফ্রিল্যান্সিং না করেও যেকোন আইটি ফার্ম এ কোন সার্টিফিকেট ছাড়ায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতনের জব করতে পারে। আপনার কাজ হলো শুধু কাজটি ভালভাবে শেখা।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

Udemy (free course)
Learncode.academy (YouTube channel)
Stackoverflow (ask here any question)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

upwork
Freelancer
fiverr
Any IT firm in Bangladesh

গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ

এবার আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে। এটা একটি ক্রিয়েটিভ কাজ। সবাই করতে পারেনা। তবে যারা করতে পারে তারা প্রতি মাসে অনেক বেশি আয় করতে পারে। যদিও গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স গুলার রেটটা অনেক বেশি, তবে সমস্যা নেই। আমি নিচে কিছু ফ্রি রিসোর্স দিচ্ছি। সেখান থেকে ফ্রিতে শিখতে পারবেন। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদাটা ওয়েব ডিজাইনের থেকেও বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে। যেমন, ব্যানার ডিজাইন, থ্রিডি, গেমস, লোগো ডিজাইন, এরকম হাজারও গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ আছে যেগুলোর মূল্য অনেক বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে আমার ধারনা একটু কম। কিন্তু যতটুকু জানি সেটা নিচে দিলাম।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

Alison (free course)
GFX (Youtube channel)
Atique Ullah (Bangla youtube channel)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

upwork
Freelancer
fiverr
Graphicriver
99designs
DesignCrowd
Designhill

৩। ইউটিউবঃ

ইউটিউব নিয়ে আমার মনে হয় নতুন করে কিছু বলার নেই। সবাই এটা নিয়ে কম বেশি জানে। আপনাকে শুধু জানতে হবে যে, কিভাবে খুব ভাল মানের ভিডিও তৈরি করতে হবে এবং ভিডিওর ভিউ কিভাবে বাড়াতে হবে। টুকটাক ভিডিও এডিটিং জানলে এবং টুকটাক সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং জানলে ইউটিউবে খুব সহজেই প্রচুর ইনকাম করা যায়। বলা যায়, অনলাইনে কম পরিশ্রমে আনলিমিটেড ইনকাম করা যায় একমাত্র ইউটিউব থেকে। ইউটিউব সম্পর্কে টুকিটাকি সব কিছু জানতে হিন্দি ইউটিউব চ্যানেলঃ My Smart Support ফলো করতে পারেন। এবং যারা কম সময় খরচ করে অনেক বেশি ইনকাম করতে চান তাদেরকে আমি সব সময় ইউটিউবে কাজ করতে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

৪। অনলাইন মার্কেটিং

অনলাইন মার্কেটিং এর সংজ্ঞা টা অনেক বড়। আসলে অনলাইন আরনিং এর প্রায় সব কাজই অনলাইন মার্কেটিং এর সাথে রিলেটেড। তবে সাধারণত অনলাইন মার্কেটিং বলতে আমরা যে বিষয় গুলা জানি তা হলোঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং, সোশ্যাল মার্কেটিং সহ আরো অনেক ধরনের মার্কেটিং। অনলাইন মার্কেটিং ২ ভাবে করা যায়ঃ ফ্রি মেথড এবং পেইড মেথড। যাদের অনেক টাকা আছে এবং অনলাইনে বিজনেস করতে চান তারা পেইড মেথডে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পেইড মেথডে করলে কোনও কিছু শেখার দরকার হয়না এবং প্রচুর লাভ আসে। কিন্তু ফ্রি মেথডে কাজ করলে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং অনেক কিছু শিখতে হয়। যারা ফ্রি মেথডে কাজ করতে চান তাদের জন্য সব থেকে ভাল রিসোর্স হলঃ Web Trainings Academy (YouTube channel)।

৫। ব্লগিং

ব্লগিং টা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। প্রথমে একটা ডোমেইন কিনতে হবে, এরপর সাইটে ইউনিক লেখালেখি করতে হবে, অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে অ্যাড লিঙ্ক নিয়ে এসে সাইটে বসাতে হবে, তারপর নিজের সাইট টাকে মার্কেটিং করতে হবে। সাইটে যত ভিজিটর আসবে অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে তত ইনকাম আসবে। ব্লগিং করার প্রক্রিয়াটা সহজ কিন্তু কাজ করা কঠিন। এখানে কোনও টেকনিক্যাল ব্যাপার নেই কিন্তু অনেক পরিশ্রম করতে হয়। ইউনিক আর্টিকেল লেখাটা যেমন কঠিন তেমন সাইটে প্রতিদিন ভিজিটর আনাটা আরো কঠিন কাজ। এই দুইটা কাজ যদি আপনি করতে পারেন তাহলে প্রতিমাসে প্রচুর আয় করতে পারবেন।

সবশেষে বলতে চাই, অন্যান্য কাজের মত অনলাইনে কাজ করাটাও অনেক কষ্টের। তবে ধৈর্য ধরে করলে এখান থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করাটা খুব কঠিন কোনও ব্যাপার না। এরপরও যদি ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং ও অনলাইন আরনিং সম্পর্কে আপনাদের আরও কিছু জানার থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

চাকরি না খুঁজে উল্টো দিতেও পারেন। জানতে চান সেই রহস্য ……. !!

চাকরি না খুঁজে উল্টো দিতেও পারেন। জানতে চান সেই রহস্য ……. !!

ইদানীং আমাদের দেশে একটা প্রচারণা নিয়ে বেশ আলোচনা শোনা যায়। সেটা হল “ চাকরি খুঁজবো না, চাকরি দিবো ” শীর্ষক এই প্রচারণায় অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই সফলতার মূখও দেখছেন। কিন্তু চাকরি না খুঁজে উল্টো চাকরি দেওয়া কি সহজ? প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে না, যতটা সহজ শোনায় ব্যাপারটা ততটা সহজ নয়। তবে, খুব কঠিনও নয়। ইন্টারনেটের প্রসারের সাথে সাথে অনেক কিছুই এখন সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে।  তথ্য ও প্রযুক্তি এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। এই সহজ দুনিয়া থেকে আয় করার কিছু সহজ উপায়ও আছে।

ইউটিউব

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম অর্থ আয়ের এক বড় উপায়। বিশেষ করে ইউটিউব। রান্না শেখানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সহজ সমাধান কিংবা ছোট নাটক, মজার ভিডিও তৈরি ইত্যাদির মাধ্যমে ইউটিউব থেকে আয় খুব বেশি কঠিন নয়। এর কারণ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব, যারা কন্টেন্ট তৈরি করেন, তাদের সঙ্গে আয়ের একটা অংশ শেয়ার করে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের কয়েকজন তরুণ এই পথে গিয়ে ভালে করছেন। চাইলে আপনিও ইউটিউবার হবার চেষ্টা করতে পারেন। এজন্য দরকার ক্রিয়েটিভ কিছু আইডিয়া, ভিডিও করার উপকরণ এবং অবশ্যই ইন্টারনেট ও কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা।

সোশ্যাল মিডিয়া

ফেসবুক বা টুইটার অবশ্য যারা কন্টেন্ট তৈরি করেন তাদের এখনো সরাসরি কোনে অর্থ দেয় না। তবে এক্ষেত্রে অর্থ উপার্জনের উপায় একটু ভিন্ন হতে পারে। আপনি চাইলে কোনে ব্র্যান্ডের ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্ট ‘ম্যানেজ’ করতে পারেন। মূল কাজ হবে সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহার করে সেই পণ্যের প্রসার বাড়ানো। এজন্য পণ্য ব্যবহারকারীর সঙ্গে একটা ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে ফেসবুক বা টুইটারে। এই কাজে প্রযুক্তি জ্ঞানের পাশাপাশি ভাষার দক্ষতাও থাকতে হবে। বিশেষ করে ভালে ইংরেজি জানা থাকলে কাজের পরিধি অনেক বাড়বে।

ঘরে বসেই কাজ করুন

আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আয়ের দিক থেকেও খুব বেশি পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম।  এক্ষেত্রে সহায়তা করছে ফ্রিল্যান্সার বা মুক্তপেশাজীবীদের কাজ দেয় এমন কিছু ওয়েবসাইট। এইসব ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধনের পর নিজের যোগ্যতা গুলো সেখানে দিতে হবে। এরপর আপনি যা জানেন, সেটা হতে পারে ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও কিংবা লেখালেখি। এই সমস্ত কাজ গুলো পেলে করতে থাকুন। প্রথমদিকে একটু অল্প টাকায় করে দিতে পারেন। তবে কাজ ভাল করলে এইসব ওয়েবসাইটে রেটিংয়ে আপনার অবস্থা ভাল হবে। আর রেটিং যত ভাল, পরিবর্তীতে কাজ পাওয়া ততই সহজ। একসময় চাইলে নিজে ছোটখাট একটা কোম্পানি গড়ে অন্যদেরও কাজ, অর্থাৎ চাকরি দিতে পারবেন।

গুগল থেকে অর্থ আয়

বিষয়ভিত্তিক ওয়েবসাইট থেকে অর্থ আয়ের ক্ষেত্রে এক বড় উৎস হচ্ছে গুগল অ্যাডসেন্স। আপনার ওয়েবসাইটটি যদি জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হয় এবং গুগলের নিয়মকানুন মেনে পরিচালনা করা হয়, তাহলে গুগল অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন পেতে পারেন। তবে সমস্যা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত বাংলা ভাষা গুগলের এই সেবায় অন্তর্ভূক্ত হয়নি, যদিও কয়েকটি বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হচ্ছে। তবে এই সমস্ত সাইটে গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার পর  বাংলা কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিষয়ভিত্তিক ব্লগাররা গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ভালে অর্থ উপার্জন করেন, যা তাদের জন্য জীবিকা নির্বাহের প্রধান উৎস।

ইন্টারনেটে অর্থ আয় সহজ হলেও এখনো বেশ কিছু বাধা রয়ে গেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে পেপ্যাল সেবা এখনো চালু হয়নি। ইন্টারনেটে উপার্জিত অর্থ সহজে দেশের অ্যাকাউন্টে জমা করা যাচ্ছে না বলে মাঝে মাঝে মুক্ত পেশাজীবীরা অভিযোগ করেন। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, উচ্চগতির ইন্টারনেট এখনো সব জায়গায় সহজলভ্য হয়নি। এইসব অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বাংলাদেশে বসে চাকরি ছাড়াও অর্থ আয় করে বেকারত্ব ঘুচাতে পারবেন আরো অনেকেই।

ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং করবেন? কিন্তু আপনি কি জানেন কাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং

ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং করবেন? কিন্তু আপনি কি জানেন কাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং

বর্তমানে আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের নিকট ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের প্রতি আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে অনেকেই না বুঝেই ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। কিন্তু তারা কখনই চিন্তা করেন না যে, ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং আসলে কি বা এটার জন্য কি কি যোগ্যতা প্রয়োজন। অনেকেই ভাবেন, এটা খুব সহজ, শুধুমাত্র একটা কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ঘরে বসে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করা যায়। তেমন কোন পরিশ্রম করা লাগেনা।

আবার অনেকে ভাবেন, একজন ভাল মানের ফ্রিল্যান্সার যদি প্রতি মাসে লক্ষ টাকা আয় করেন, তবে আমি কম জেনে কেন? দশ পনরো হাজার টাকা আয় করতে পারবো না!! এই সব ধারণার ফলে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করতে আসে। আবার যারা মাত্র নতুন কম্পিউটার কিনেছেন বা ইন্টারনেট কানেকশন নিয়েছেন তাদের ইচ্ছা, কয়েক দিন ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি অথবা ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের জন্য ১০ থেকে ১৫ দিনের একটি কোর্স করলেই সে অল্প কয়েক দিনের মধ্যে ঘরে বসে প্রতি মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবে।

এর জন্য যেমন দায়ি তথাকথিত কিছু ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টার, তেমনি দায়ি আমাদের সরকার ব্যবস্থা। আমাদের বর্তমান সরকার “ঘরে বসে আয়” নামের সারা দেশে ফ্রিল্যান্সার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। যেখানে মাত্র ১০ থেকে ১৫  দিনের ট্রেনিং দেয়া হয়, ফলে তারা কিছুই শিখতে পারে না এবং হতাশ হয়ে  পড়েন। আচ্ছা, আপনারা যারা কাজ করছেন ও অভিজ্ঞ তারা বলেনতো ১০ থেকে ১৫  দিনে কি ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং শেখা যায়??

আসলে এই উদ্যোগের পিছনে রয়েছে সরকারের উপর মহলের কিছু স্বার্থান্বেষী ও অর্থলোভী কর্মকর্তা। ফলে এইসব প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেট করান এবং তার একটা বৃহৎ অংশ নিজেদের পকেটে ঢুকান। এবং নিজেরাই “ঘরে বসে বড়লোক” হন!! তাছাড়া, বিভিন্ন বাস, ট্রেন বা দেয়ালের গায়ে লাগানো চোখ ধাঁধানো ও প্রলোভন দেখানো অথাকথিত প্রতিষ্ঠানের পোষ্টার বা স্টিকার তো আছেই।
freelancerতাই, নতুনদের জন্য বলবো, ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং সবার জন্য না। ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরু করার জন্য আপনার অবশ্যই কম্পিউটারের প্রাথমিক ধারণা এবং ইংরেজিতে যোগাযোগ করার মত ভাল ধারণা থাকতে হবে এবং প্রচুর পরিশ্রম করার মনমানসিকতা থাকতে হবে। যাতে আপনি আপনার পরিশ্রমের মাধ্যমে ভালো কাজ শিখতে পারেন। আপনাকে নজর দিতে হবে কাজ শেখার প্রতি, টাকা আয়ের প্রতি না। এরপর আপনি কোন ধরণের কাজের প্রতি ইন্টারেস্টেড তা নির্ধারণ করুন।

এবার বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখে বা আর্টিকেল পড়ে শিখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে সময় অনেক বেশি লাগতে পারে। তাই যদি সম্ভব হয়, কোন মানসম্মত ফ্রিল্যান্সিংআউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। আর কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই তাদের অভিজ্ঞতার ব্যাপারে ভালভাবে খোঁজ খবর নিয়ে নিন। এবং তাদের কোর্স কারিকুলাম বা কোর্স আউটলাইন দেখে নিন, যেখানে কি কি শিখানো হবে, তা ক্লাস ভিত্তিক দেয়া থাকে।

কারণ বর্তমানে অলিতে গলিতে বিভিন ধরণের ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টারের অভাব নেই। আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন রকম প্রলোভন দেখিয়ে ভর্তি করাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষও তাদের প্রলোভনে পড়ে ভর্তি হচ্ছে এবং শেষে কিছুই না পেয়ে হতাশ হচ্ছে।

আর একটা কথা অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনাকে অনলাইনে ভাল আয় করতে হলে, ভাল কাজ জানতে হবে। এর কোন বিকল্প নাই।

WordPress developments Benefit

WordPress developments Benefit

WordPress is the most popular content management system in the current period. It is created by PHP and MySQL. WordPress development is the best platform capable of evolving a highly responsive website.
At present, the most common and popular publishing platform WordPress. Personal blog to the corporate website being used WordPress. Moreover, some renowned companies in the world on their own websites built on WordPress platform. Now 18.1% of the total website is creating WordPress. So WordPress experts demand is increasing day by day. According to the report of freelancing marketplace, WordPress and PHP demand highly. In Bangladesh, WordPress developer demand is too more. The number of WordPress developer in Bangladesh is too poor. As a result, We are far behind in the technology sector to other countries. This could be a groundbreaking step in solving the unemployment problem. They can earn good amount of money by freelancing marketplace or find a good job.

wordpress

wordpress

Why do you choice WordPress development?
• Demand for WordPress development is high clients are willing to pay for developers who are the best in the field.
• When you are at the top, you will be the freedom to say “No” to the projects if you don’t want, and “Yes” to the projects if you want to do.
• The capability of the future of WordPress as well as the ecosystem that is creating around it.

An expert of WordPress developers to be a works hard. If you want to know WordPress theme development, firstly you should be know HTML, CSS, and also needs to JavaScript, Jquery, PHP, MySQL for next step. So you can be Seek refuge a WordPress developer or WordPress development company who provide you best service in WordPress development. you have to follow the standard guidelines of WordPress development. In order that you have to create something better and unique.

Save

আউটসোর্সিং কি, কেন এবং কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন?

আউটসোর্সিং কি, কেন এবং কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন?

আউটসোর্সিং কি

আউটসোর্সিং শব্দটি অনেকের সাথে পরিচিত। আবার অনেকের কাছে কথাটি নতুন। আউটসোর্সিং হচ্ছে তথা ফ্রিল্যান্সিং, এর অর্থ হল একটি স্বাধীন পেশা। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে কোন কাজ করে আয়ের একটি অন্যতম পেশা। একটু সহজ ভাবে বলতে গেলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কোন বা ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ধরনের কাজ প্রদান করে তা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তা করিয়ে নেয়া। নিজের প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে  কাজ করানোকেই মূলত আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন,  তারাই মূলত ফ্রিল্যান্সার।

কেন আউটসোর্সিং করবেন

বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই তথা আমাদের বাংলাদেশে আউটসোর্সিং জগতে কাজ করে এমন লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু তাদের সবাই শতভাগ সফল নয়। তারা কিছু অসৎ লোকের পাল্লায় পড়ে আউটসোর্সিং এর উপর নেতিবাচক ধারণা তৈরী হয়েছে। সবসময় মনে রাখবেন আউটসোর্সিং একটি স্বাধীন বা মুক্ত পেশা,  যেখানে আপনার ব্যক্তিগত জবাবদিহিতার চেয়ে কাজের জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই আয় করার জন্য। একটি কথা সবসময় মনে রাখবেন, আপনি যার কাছ থেকে টাকা উপার্জন করবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করেই এই অর্থ উপার্জন করতে হবে। তাই যদি হয়, আপনার কাজে যদি ত্রুটি থাকে, আপনার কাজে যদি কোন প্রকার জবাবদিহিতা না থাকে,  এবং আপনার কাজে যদি অনেক কোন স্বচ্ছতা না থাকে তবে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল হওয়া অসম্ভব। আউটসোর্সিং এ সবসময় আপনি নিজেকে দিয়ে মূল্যায়ন করবেন। আপনার কাজের দক্ষতা আপনাকে উপরের দিকে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে, তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের মধ্য দিয়ে কাজটি গ্রাহককে প্রদান করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান থেকে ছিটকে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যাবে।

কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন

আমরা আউটসোর্সিং করা যতটা সহজ ভাবি কাজটা আসলে ততটা সহজ নয়। আসলে এই পৃথিবীতে কোন কাজই সহজ নয়। আমরা ভাবি একরকম কিন্তু বাস্তবে অন্যরকম। অনেকেই চিন্তা করেন আউটসোর্সিং করে ঘরে বসেই খুব সহজে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা যায়। কিন্তু বাস্তবে অনলাইনে আয় করার চিত্রটা একটু ভিন্ন। আপনার যদি অনলাইনে কাজের দক্ষতা থাকে তাহলে শুধুমাত্র আউটসোর্সং নয় অন্য যেকোন সেক্টরে আপনি খুব সহজেই সফল হতে পারেন। আউটসোর্সিং এর ভিন্নতা হল, এখানে (আউটসোর্সিং) কাজ করা এবং অনলাইনে কাজ পাবার স্বাধীনতা আছে যা আপনি অন্য কোন সেক্টরে তা পাবেন না। পার্থক্য হল আপনার পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এখানে করা হবে।  অন্যান্য পেশায় যার জন্য প্রতিনিয়ত কর্তাদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মন কাষাকষি হরহামেশই লেগেই থাকে, যা আউটসোর্সিং করলে আপনি পাবেন না। এক কথায় আউটসোর্সিং হল উপযুক্ত কাজ করে এবং তা থেকে সহজ পদ্ধতিতে আয় করার একটি অন্যতম উৎস। যেখানে আপনার সফল হতে হলে, অবশ্যই আপনাকে প্রথমেই দক্ষতা অর্জন করতে হবে, এবং কাজ করার জন্য আপনাকে সঠিক মার্কেটপ্লেসে বেচে নিতে হবে।

কিভাবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন

ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হলে আপনাকে নির্দিষ্ঠ একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যেমন-ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি এ সকল বিষয় সমূহের মধ্যে যে কোন একটি জানতে হবে। শুধু এই বিষয় গুলোই নয় আরও অনেক ক্ষেত্র আছে যা শিখে আপনি আউটসোর্সিং করতে পারবেন। আপনি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে যে কোন বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আপনি মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন।

এ সম্পর্কিত যে কোন প্রশ্ন, কৌতুহল, জিজ্ঞাসা, কিংবা আরও বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন?

পৃথিবীটা কম সময়ের মধ্যে ডিজিটাল পৃথিবীতে পরিণত হতে চলেছে। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ,  এবং আরো অনেক ইলেক্ট্রনিক্স এর মাধ্যমে ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহার মানুষের একটি দৈনিক অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই এখনো তাদের বিপণন কৌশলে এটার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে পারছেনা। সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং এর চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত ,বহুমুখী বাস্তব সম্মত। ডিজিটাল মার্কেটিং একই সাথে ভোক্তা এবং বিপনণকারী উভয়েরই সমান উপকারে আসে। সুতরাং যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে মার্কেটিং এর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ইন্টারনেট প্রযুক্তি মাধ্যমে মার্কেটিং পদ্ধতিই হল ডিজাটাল মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং ভোক্তাদের নিকট যে কোন সময় যে কোন প্রকার তথ্য পৌছে দেয়ার জন্য অন্যতম। ধরুন ডিজিটাল মিডিয়া টেলিভিশন একমুখী প্রচার মাধ্যম। এর মাধ্যমে ভোক্তার রুচি চাহিদা সম্পর্কে অবগত হওয়া যায় না। ডিজিটাল মিডিয়া খবর, বিনোদন,  কেনাকাটা এবং সামাজিক ইন্টারঅ্যাকশন একটি সদা বর্ধমান উৎস এবং ভোক্তাদের এখন না শুধু আপনার কোম্পানি আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে বলেছেন, কিন্তু  মিডিয়া, বন্ধু, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মীরা, কি বলছে সেটা যেমন উন্মুক্ত হয় এবং তারা আপনার চেয়ে তাদের বিশ্বাস করার সম্ভাবনা বেশি। মানুষ তাদের চাহিদা এবং পছন্দ মতন তারা বিশ্বাস করতে পারেন ব্রান্ডের। ডিজিটাল মার্কেটিং একমাত্র পদ্ধতি যা সর্ব স্তরের ক্রেতা এবং ভোক্তার নিকট পৌছানো যায়। এবং তাদের ব্র্যান্ড সম্পর্কে তাদের মতামত সরাসরি জানা যায়।

কেন ডিজিটাল মার্কেটিং?

প্রথমত, ডিজিটাল মার্কেটিং প্রচলিত অফলাইন মার্কেটিং পদ্ধতির চেয়েও আরও বেশি সাশ্রয়ী হয়। একটি টিভি বিজ্ঞাপন বা সংবাদপত্র অ্যাড এর চেয়ে খরচ অনেক কম। তাছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বহু সংখ্যক সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে পৌঁছতে পারে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রতিটি ধাপ এবং পর্যায় আপনি পরিমাপ করতে পারেন। কোন ডিজিটাল মিডিয়া আপনার কতটা কাজে আসছে? কতজন প্রতিদিন অ্যাড হচ্ছে? কতজন লাইক দিচ্ছে? ওয়েবসাইটে কতজন প্রতিদিন ভিজিট করছে প্রতিটা কার্যক্রম পরিমাপযোগ্য। আপনার যদি ওয়েবে উপস্থিতি না থাকে, কিভাবে আপনি সম্ভাব্য ক্রেতাদের আপনাকে খুঁজে পাবে বলে আশা করেন? ইন্টারনেটে চমৎকার কন্টেন্ট, চমৎকার প্রোডাক্ট গ্যালারী, চমৎকার প্রোডাক্ট রিভিউ থাকে তাহলে মানুষ আপনার ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ধরে নেবে। আপনি যদি সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে গ্রাহকদের এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে যুক্ত থাকেন, তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন তাহলে,আপনি তাদের সঙ্গে বিশ্বাস গড়ে তুলতে পারবেন আর তখন তারা আপনার প্রতিযোগীদের কাছে নয় আপনার কাছে আসবে।

অনলাইনে এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৯২% ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যারা ব্লগিং করে তারা অনলাইনে নতুন গ্রাহক পায়, প্রায় প্রতিদিন। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রায় ১০০% বেশি লিড আসে অন্যান্য মার্কেটিং এর তুলনায়, প্রায় ৭৭% ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের নতুন গ্রাহক পায় ফেসবুক থেকে। মনে রাখবেন আপনার গ্রাহকরা বেশিরভাগ সময় আছেন অনলাইনে এবং এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অনলাইন ডিজিটাল মার্কেটিংএ আপনাকে এমন নতুন কোন চমৎকার কৌশল ধরে রাখতে হবে, যা সর্বদা আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে রাখবে। আপনাকে এমন কিছু করতে হবে আপনার প্রতিযোগীদের চিন্তায় যা আসে নি।

কিভাবে শিখবেন ডিজিটাল মার্কেটিং?

বাংলাদেশে ওয়েবসাইট ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি শেখার অনেক ট্রেনিং সেন্টার পাবেন কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার জন্য ভাল কোন ট্রেনিং সেন্টার একমাত্র গাজীপুরের এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন। আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং অন্য কোন উপায়ে শিখতে পারবেন না। শিখতে পারলেও আপনি ভাল কোন কাজ করতে পারবেন না।

তবে আর দেরী কেন এখনি চলে আসুন আমাদের এই ঠিকানায়।

AMWebCreation
House#1069, Sheikh Manshion, Shibbari Road,
(Opposite of Siam CNG Pump), Gazipur Chowrasta,
Gazipur City Corporation, Gazipur
Telephone: 0249263136
Mobile: 01881049394
E-mail: amwebcreation@yahoo.com

Outsourcing Training Center in Dhaka Bangladesh

Outsourcing Training Center in Dhaka Bangladesh

There are many outsourcing training center in Dhaka Bangladesh: but most of them are not a good trainer or not well educate to built and new nation with good train. Some of the trainer do not know how to works at freelancing marketplace.

Especially they has not account in any freelancing marketplace. They are trained up some of the Undeveloped training center, watching YouTube video tutorial or reading blog to target earn dollar. When they were failure to earning dollar in freelancing marketplace then they were decided to open an outsourcing training center in Uttara Dhaka, Dhanmondi, motijheel, gulshan, or other renowned place.

Later some of the students take up training of them. As a result they are also failure to success, build a negative attitude against of outsourcing or freelancing, lost their valuable time and they were damaged by finance.

Now I have a question why are they making rashness?
Answer: They are making huge money in easy way.

Freelancing is a most valuable way to solve the Unemployment problem in globally specially in Bangladesh. This sector could become a landmark for the people of Bangladesh. For this reason Bangladesh has needs more qualityful trainer and training center what can give up proper training or qualityful service.

To build a grateful nation we have start amwebcreation.com. Now a day amwebcreation.com is a famous established website design development & freelancing training center in Bangladesh. We have seven well educated staff members who are ready to make your like easy with freelancing market place and give you better support on development.

What we can do for you?

Website design, development,
eCommerce development
Free classified website
School management
New portal, blog
Personal website

What makes our web development is best?
web-development
So ready to make your sense!! Contact with us

AMWebCreation
House#1069, Sheikh Manshion, Shibbari Road,
(Opposite of Siam CNG Pump), Gazipur Chowrasta,
Gazipur City Corporation, Gazipur
Telephone: 0249263136
Mobile: 01881049394

Save

Save

Save

ক্যারিয়ার গড়ুন আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং এ

ক্যারিয়ার গড়ুন আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং এ

বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিরাট অংশ এখন শিক্ষিত। কিন্তু শিক্ষা ব্যাবস্থা আর চাকরি ব্যাবস্থার সাথে কোন মিল না থাকায় কর্মসংস্থান হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপুর্ন।তাই এই শিক্ষিত কর্মক্ষম জনগোষ্ঠিকে আনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারলে সমস্যার অনেকটা সমাধান হতে পারে। আসুন জেনে নিই ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং কি?

আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে বাইরের কোন প্রতিষ্ঠানের বা ব্যাক্তির সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে কোন প্রকল্পের অংশবিশেষ বা সমগ্র প্রকল্প।

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে কোন ব্যাক্তি কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তির কাজ করে থাকেন। একজন ফ্রিল্যান্সার তার ইচ্ছামত কাজ বেছে নিতে পারেন। আবার যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার তার স্বাধীনতা আছে। গতানুগতিক অফিস সময়ের মত ধরাবাধা কোন নিয়মের মধ্যে থাকতে হয়না।

যেভাবে ফ্রিল্যান্সিং কাজ হয়।

যখন কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার কোন কাজ আইটসোর্সিং করতে চান তখন তিনি কাজটির জন্য ফ্রিল্যান্সারদের সাথে বিড করেন। বিডের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার উল্লেখ করে দেন যে, কাজটি তিনি কত দিনের মধ্যে করে দিতে পারবেন এবং তার মূল্য কত। এভাবে একটি কাজের যে কয়টা বিড হয় তার মধ্য থেকে সবচেয়ে যোগ্য এবং সুবিধাজনক বিডটিকে ইমপ্লয়ার নির্বাচন করেন।এরপর সেই ফ্রিল্যান্সারদের সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

কিভাবে শুরু করবেন ?

এখানে কাজ পেতে হলে আপনার প্রোফাইলটিকে সুন্দর করে গুছিয়ে তৈরি করতে হবে যা দেখে ক্লাইন্ট আপনাকে কাজ দিতে আগ্রহি হবে।এবং আপনি যে প্রাইস বিট করবেন তা তার মনঃপুত্ত হতে হবে।আপনি বিভিন্ন মার্কেট প্লেস ঘুরে দেখুন কোন কাজের চাহিদা বেশি।

যেভাবে আপনার প্রোফাইল তৈরি করবেন?

নিজেকে কোন একটি কাজে দক্ষ করে তুলুন।আর আপনি যে কাজটি জানেন সেই কাজের কিছু স্যাম্পল তৈরি করুন ।আপনি দক্ষ কিনা জানতে বিভিন্ন সাইট প্লেসে পরিক্ষা দিতে পারেন ।আপনি যে কাজটি জানেন সে বিষয়ে বন্ধু মহলে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আর দুটি বিষয়ে দক্ষতা থাকা জরুরী ।তা হল ইন্টারনেট সম্পর্কে ভাল জ্ঞান এবং ইংরেজিতে দক্ষতা। কারন ক্লায়েন্টদের অধিকাংশই হবে বাইরের দেশের । এবং তাদের সাথে ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে হবে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ।

ফ্রিল্যান্সারদের মনে রাখতে হবে ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে সাফল্যের পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জের এর মুখোমুখি হতে হবে।কাজ করার নির্দিষ্ট কোন সময় থাকেনা আপনাকে রাতের বেলা কাজ করতে হতে পারে।কাজ কতদুর এগোল ক্লায়েন্ট যখন দেখতে চাইবেন তাকে দেখাতে হবে। এতে আপনার বাক্তিগত জীবনে অসুবিধা হতে পারে।নতুনদের আয়ের পরিমান কম বেশি হতে পারে প্রতি মাসে ।কোন কোন ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করতে দেরি করতে পারেন এই পেশাটাকে আপনার আপনজনেরা মেনে না নিতে পারেন ।

Save

কেন ওয়েবসাইট তৈরী করবেন, কারণগুলো জেনে নিন।

কেন ওয়েবসাইট তৈরী করবেন, কারণগুলো জেনে নিন।

বর্তমান যুগটাই ইন্টারনেটের। কোন তথ্য জানতে হলে প্রথমেই মনে আসে ইন্টারনেটে সার্চ দেওয়ার কথা। সবচেয়ে অল্প খরচে তথ্য প্রকাশ করা এবং তথ্য জানার সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। অল্প খরচে যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য এটি ব্যবহার করতে পারে।

ওয়েবসাইটে যখন তখন যে কোন তথ্য প্রকাশ করা যায়।

ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যখন ইচ্ছে দেখা যায়।

ওয়েবসাইটে যেকোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্যের ছবি, ভিডিও আপলোড করা যায়।

ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় করা যায়।ক্রেতা বাজারে না গিয়েও আনলাইনে তার পছন্দের পণ্যটি কিনে ফেলতে পারে। একইভাবে বিক্রেতাও লাভবান হয় যদি তার একটি ই-কমার্স সাইট থাকে।

অনলাইনে আয় করার জন্যও ওয়েবসাইট থাকা অত্যান্ত গুরুতবপূর্ণ। যারা ফ্রিল্যান্সার তাদের জন্য অবশ্যই একটি পোর্টফলিও সাইট থাকা দরকার। তাছাড়া বায়ার তাদের কাজের নমুনা খুঁজে পাবেনা।

একটি ভালমানের ওয়েবসাইট থাকলে বিজ্ঞাপন দাতারা আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিতে আগ্রহী হবে। আর আপনি ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করতে পারবেন।

আনলাইনে আয় করার একটি গুরুতবপূর্ণ মাধ্যম হলো আনলাইন শপিং ওয়েবসাইট যাকে বলে ই-কমার্স সাইট।বর্তমানে সারাবিশ্বে ই-কমার্স সাইটের প্রচুর সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।ই-কমার্স ওয়েবসাইটে সরাসরি পণ্য বিপনন বা কমিশনের মাধ্যমে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব।ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যেকোন পণ্য সারাদেশের ক্রেতাদের মাঝে পৌঁছে দিতে একটি ই-কমার্স সাইটের ভূমিকা আতিব গুরুতবপূর্ণ।

এরকম আরও অনেক অনেক সুবিধা রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবেনা।আপনি নিজেই জানতে পারবেন যদি ওয়েবসাইট তৈরী করেন বা কোনভাবে এর সাথে যুক্ত হন।আমার তো মনে হয় ইন্টারনেট ,ওয়েবসাইট ছাড়া এখন আর মানুষ কিছু ভাবতেই পারেনা। এমন কোন বিষয় নেই যার জন্য ইন্টারনেটে সার্চ পড়েনা।আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট ব্যবসার সফলতার চাবিকাঠি

একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট ব্যবসার সফলতার চাবিকাঠি

বিশ্বায়নের এ যুগে ইন্টারনেট ব্যবহারে পৃথিবীর সবকিছুতে যেমন অনলাইনের ছোঁয়া লেগেছে তেমনি আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যেও বৈপ্লাবিক পরিবর্তন এসেছে, আমাদের দেশের ব্যবসা বাণিজ্যও এখন ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে পড়ছে। ইন্টারনেট মানুষের সামনে খুলে দিয়েছে একটি মুক্ত পৃথিবী। পৃথিবীর সবকিছু এখন মানুষের খুব কাছে এমনকি ঘরে বসেই করতে পারছে। ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে শিক্ষা-তথ্য বিনোদন সবকিছু এখন যে কোন মুহূর্তে যে কোন জায়গা থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি বাস, ট্রেন, এমনকি বিমানের টিকেট পর্যন্ত ঘরে বসে ক্রয় করতে পারছেন। বাসায় বসে থেকে আপনি আপনার অফিসের কাজ পরিচালনা করতে পারছেন। এতে করে মানুষের জীবনের যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। ওয়েব সাইট ছাড়া ইন্টারনেটের তেমন সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। ইন্টারনেটের কারনে আজকে সারা বিশ্বকে খুব কাছে মনে হয়। পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজেদের পণ্যের বিস্তারিত বর্ণনা নিজস্ব ওয়েব সাইটের মাধ্যমে তুলে ধরে।

এতে করে সবাই যে কোন পন্য বা প্রতিষ্ঠানের সংবাদ খুব সহজে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে বৃহৎ জনগোষ্ঠির নিক জানতে পারেন। কোন তথ্য না জানলে গুগল কিংবা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজে বের করা যায়।

বর্তমান যুগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ই-কমার্স হচ্ছে একটি অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি আপনার নতুন/পুরাতন গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার খরচও অনেকাংশে কমাতে পারেন। আপনি যদি একজন স্বনির্ভর ব্যবসায়ী হতে চান, তাহলে আপনি অনলাইনে বিজনেস খুলে আপনার পণ্য বিক্রি শুরু করতে পারেন। এর জন্য আপনার বাহ্যিক কোন খরচ হবে না।

ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেভাবে কাজ করে

ই-কমার্স সাইটে বিক্রয়যোগ্য বিভিন্ন ধরনের পন্য এবং পণ্যের মূল্যসহ অন্যান্য বিবরণ দেওয়া থাকে। পণ্যের বিবরনের নিচে অর্ডার বাটন যুক্ত থাকে। অর্ডার বাটনে ক্লিক করে ক্রেতা বা ভোক্তা নির্দিষ্ট পণ্য ক্রয়ের অর্ডার দেন। অর্ডার গ্রহন করার জন্য ই-কমার্স সাইটে মূল্য পরিশোধ কার্ডের ব্যবস্থা থাকে। এখানে ক্লিক করলে ক্রেতার কাছে নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ প্রদান করতে বলা হয়। ক্রেতা উক্ত কার্ডের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সরবরাহ করে সম পরিমান অর্থ প্রদান করেন।

আর্থিক লেনদেনের পুরো বিষয়টি সুরক্ষিত উপায়ে সম্পন্ন হয়ে থাকে। পণ্যের মূল্য পরিশোধের পর অর্ডার ফরমটির যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়। এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য একই সাথে ই-মেইল আকারে ক্রেতা এবং বিক্রেতার নিকট ই-কমার্স সাইট কর্তৃক প্রেরিত হয়। এরপর পণ্য ক্রেতার নিকট পৌঁছানোর জন্য পণ্য পরিবহন সংস্থায় পাঠানো হয়। নির্দিষ্ট সময়ে ক্রেতার বাড়িতে পণ্যটি পৌছে দেয়া হয়। ক্রেতা বেশি পরিমাণ পণ্য ক্রয় করলে কিংবা ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত হলে পরিববহনের জন্য কোন ফি নেওয়া হয় না আবার কম পরিমাণে পণ্য ক্রয় করলে কিংবা ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত না হলে পরিববহনের জন্য পণ্য মূল্যের সাথে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হয়। এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের উপর।

ই-কমার্স সাইটে আপনি যে সকল সুবিধা পাবেন

  • অনির্দিষ্ট পেজ
  • অনির্দিষ্ট পণ্য যোগ
  • ইউনিক ডিজাইন
  • ফেসবুক পেজ
  • ইউজার লগ ইন/ নিবন্ধন প্রক্রিয়া
  • যে কোন সময় পণ্য যোগ/কর্তন করতে পারবেন
  • পিকচার আপলোড
  • কালার/ব্র্যান্ড অনুযায়ী পণ্য খোঁজা
  • পণ্যটি বড় কিংবা ছোট করে দেখতে পারবেন
  • অনলাইনে পণ্যের মূল্য পরিশোধের সুযোগ
  • স্যোসাল মিডিয়া শেয়ার অপশন
  • মোট বিক্রয়ের পরিমাণ নির্ণয়
  • গ্রাহকের মতামতের ব্যবস্থা
  • যে কোন জায়গায় বসে পরিচালনা করতে পারবেন
  • অনির্দিষ্ট ইউজার ব্যবহার করতে পারবেন

টেলিফোনে বা ই মেইলের মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কে নিয়মিত নিত্য নতুন তথ্য আপডেট করার মাধ্যমে আপনি আপনার গ্রাহকদের উন্নতমানের সেবা প্রদান করতে পারেন। এর পাশাপাশি আপনার প্রতিনিয়ত আপডেটই আপনার ওয়েব সাইটের ক্লায়েন্ট বা ভিজিটরদের আপনার সাইট থেকে তাদেরকে পণ্য কিনতে পুনরায় আগ্রহী করে তুলবে।

সময়ের সাথে সাথে, আপনার ওয়েব সাইটের অ্যানালাইটিকস ও কাস্টমারদের মতামত আপনার ওয়েবসাইটটিকে আরও জনপ্রিয় করতে সাহায্য করবে এবং ইন্টারনেটে আপনার ব্যবসাকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাবে।

Free WordPress Themes, Free Android Games