আকর্ষণীয় অফারঃ

১৪ ই এপ্রিল বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ একদম ফ্রি!!

গ্রাফিক্স ডিজাইন

আউটসোর্সিং কি, কেন এবং কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন?

আউটসোর্সিং কি, কেন এবং কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন?

আউটসোর্সিং কি

আউটসোর্সিং শব্দটি অনেকের সাথে পরিচিত। আবার অনেকের কাছে কথাটি নতুন। আউটসোর্সিং হচ্ছে তথা ফ্রিল্যান্সিং, এর অর্থ হল একটি স্বাধীন পেশা। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে কোন কাজ করে আয়ের একটি অন্যতম পেশা। একটু সহজ ভাবে বলতে গেলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কোন বা ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ধরনের কাজ প্রদান করে তা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তা করিয়ে নেয়া। নিজের প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে  কাজ করানোকেই মূলত আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন,  তারাই মূলত ফ্রিল্যান্সার।

কেন আউটসোর্সিং করবেন

বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই তথা আমাদের বাংলাদেশে আউটসোর্সিং জগতে কাজ করে এমন লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু তাদের সবাই শতভাগ সফল নয়। তারা কিছু অসৎ লোকের পাল্লায় পড়ে আউটসোর্সিং এর উপর নেতিবাচক ধারণা তৈরী হয়েছে। সবসময় মনে রাখবেন আউটসোর্সিং একটি স্বাধীন বা মুক্ত পেশা,  যেখানে আপনার ব্যক্তিগত জবাবদিহিতার চেয়ে কাজের জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই আয় করার জন্য। একটি কথা সবসময় মনে রাখবেন, আপনি যার কাছ থেকে টাকা উপার্জন করবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করেই এই অর্থ উপার্জন করতে হবে। তাই যদি হয়, আপনার কাজে যদি ত্রুটি থাকে, আপনার কাজে যদি কোন প্রকার জবাবদিহিতা না থাকে,  এবং আপনার কাজে যদি অনেক কোন স্বচ্ছতা না থাকে তবে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল হওয়া অসম্ভব। আউটসোর্সিং এ সবসময় আপনি নিজেকে দিয়ে মূল্যায়ন করবেন। আপনার কাজের দক্ষতা আপনাকে উপরের দিকে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে, তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের মধ্য দিয়ে কাজটি গ্রাহককে প্রদান করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান থেকে ছিটকে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যাবে।

কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন

আমরা আউটসোর্সিং করা যতটা সহজ ভাবি কাজটা আসলে ততটা সহজ নয়। আসলে এই পৃথিবীতে কোন কাজই সহজ নয়। আমরা ভাবি একরকম কিন্তু বাস্তবে অন্যরকম। অনেকেই চিন্তা করেন আউটসোর্সিং করে ঘরে বসেই খুব সহজে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা যায়। কিন্তু বাস্তবে অনলাইনে আয় করার চিত্রটা একটু ভিন্ন। আপনার যদি অনলাইনে কাজের দক্ষতা থাকে তাহলে শুধুমাত্র আউটসোর্সং নয় অন্য যেকোন সেক্টরে আপনি খুব সহজেই সফল হতে পারেন। আউটসোর্সিং এর ভিন্নতা হল, এখানে (আউটসোর্সিং) কাজ করা এবং অনলাইনে কাজ পাবার স্বাধীনতা আছে যা আপনি অন্য কোন সেক্টরে তা পাবেন না। পার্থক্য হল আপনার পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এখানে করা হবে।  অন্যান্য পেশায় যার জন্য প্রতিনিয়ত কর্তাদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মন কাষাকষি হরহামেশই লেগেই থাকে, যা আউটসোর্সিং করলে আপনি পাবেন না। এক কথায় আউটসোর্সিং হল উপযুক্ত কাজ করে এবং তা থেকে সহজ পদ্ধতিতে আয় করার একটি অন্যতম উৎস। যেখানে আপনার সফল হতে হলে, অবশ্যই আপনাকে প্রথমেই দক্ষতা অর্জন করতে হবে, এবং কাজ করার জন্য আপনাকে সঠিক মার্কেটপ্লেসে বেচে নিতে হবে।

কিভাবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন

ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হলে আপনাকে নির্দিষ্ঠ একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যেমন-ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি এ সকল বিষয় সমূহের মধ্যে যে কোন একটি জানতে হবে। শুধু এই বিষয় গুলোই নয় আরও অনেক ক্ষেত্র আছে যা শিখে আপনি আউটসোর্সিং করতে পারবেন। আপনি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে যে কোন বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আপনি মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন।

এ সম্পর্কিত যে কোন প্রশ্ন, কৌতুহল, জিজ্ঞাসা, কিংবা আরও বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন শিখবেন

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন শিখবেন

বর্তমানে বাংলাদেশের স্বপ্নের ও সবচেয়ে দামী ক্যারিয়ারের নাম গ্রাফিক্স ডিজাইন। কোটি কোটি ডলারের এই বাজারে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের অনেক ডিজাইনার সুনাম অর্জন করেছে। ফ্রীল্যান্সিং ওয়েবসাইট গুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য আনুযায়ী সামনের দিন গুলোতে এই ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো আরও অনেক বেশী প্রতিষ্ঠিত হবে এবং উক্ত উৎস থেকে অর্থ উপার্জন এর সম্ভাবনাও বাড়বে।
আমরা জানি বর্তমান ডিজিটাল যুগে গ্রাফিক্স ডিজাইন অবশ্যই অতি আকর্ষণীয় ক্রিয়েটিভ একটি পেশা। প্রায় সকল ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স ডিজাইনের ব্যবহার দেখা যায়। বর্তমানে আমাদের চারপাশে এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রয়োজন নেই। সুতরাং বুঝতেই পারছেন গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা কি পরিমাণ বেড়েছে এবং এটা যে এখন পর্যন্ত বেড়েই চলেছে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।
কাজেই বিভিন্ন ধরণের কর্পোরেট রিপোর্টস, জার্নাল, ইন্টারঅ্যাক্টিভ মিডিয়া, মার্কেটিং, ব্রোশিউর, সংবাদপত্র এবং বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্টান গুলোতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা, মূল্যায়ন ও বাজারদর এখন প্রায় আকাশছোঁয়া। এছাড়াও ফ্রীল্যান্সার মার্কেটপ্লেস গুলোতেও গ্রাফিক্স ডিজাইনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। 99desgin.com, elance.com, freelancer.com, guru.com, Upwork.com ইত্যাদি সাইটগুলোতে গিয়ে দেখতে পারেন, প্রতিদিন শত শত কোম্পানি বা ক্লায়েন্ট গ্রাফিক্সের কাজ এর জন্য দক্ষ ডিজাইনারের সন্ধান করছে এবং এইসব দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদেরকে অনেক ভাল স্যালারি দিয়ে হায়ার করে নিচ্ছে।
যে ভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখবেনঃ
আপনারাও হয়তো আর অন্য সবার থেকে পিছিয়ে থাকতে চাচ্ছেন না। তাই অনেকেই এখন বেশ আগ্রহ সহকারে শিখতে চান। আবার অনেকেই হয়তো বুঝতে পারছেন না কোথায় গেলে সঠিক ভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ  শিখতে পারবেন। এজন্য প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকার পরও তারা নিজেকে এগিয়ে নিতে পারছেন না।
গ্রাফিক্স ডিজাইন তিনটি উপায়ে শেখা যায়। যেমন, ১) ব্লগ পড়ে ২) ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ৩) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
প্রথমে আসা যাক ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখাটা একটু জটিল। ভিডিও দেখে শিখতে গেলে আপনাকে ঐ ভিডিওর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। ব্লগ পড়ে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারেন। তবে আপনার চাহিদা অনুসারে শিখতে হলে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যেতে হবে। তাছাড়া আপনি যদি একেবারেই নতুন হবে ব্লগ পড়ে বা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে খুব একটা কাজে আসবে না। আমার জানামতে এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন ভাল মানের গ্রাফিক্স ডিজাইন ট্রেনিং সেন্টার তাছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠানে আপনি ধারাবাহিক ভাবে ওয়েব ডিজাইন (Web Design), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (Web Development), গ্রাফিক্স ডিজাইন (Graphics Design), এসইও (SEO) এবং ফ্রীল্যান্সিং (Freelancing) ইত্যাদি বিষয় সমূহ শিখতে পারবেন।

ক্যারিয়ার গড়ুন আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং এ

ক্যারিয়ার গড়ুন আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং এ

বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিরাট অংশ এখন শিক্ষিত। কিন্তু শিক্ষা ব্যাবস্থা আর চাকরি ব্যাবস্থার সাথে কোন মিল না থাকায় কর্মসংস্থান হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপুর্ন।তাই এই শিক্ষিত কর্মক্ষম জনগোষ্ঠিকে আনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারলে সমস্যার অনেকটা সমাধান হতে পারে। আসুন জেনে নিই ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং কি?

আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে বাইরের কোন প্রতিষ্ঠানের বা ব্যাক্তির সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে কোন প্রকল্পের অংশবিশেষ বা সমগ্র প্রকল্প।

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে কোন ব্যাক্তি কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তির কাজ করে থাকেন। একজন ফ্রিল্যান্সার তার ইচ্ছামত কাজ বেছে নিতে পারেন। আবার যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার তার স্বাধীনতা আছে। গতানুগতিক অফিস সময়ের মত ধরাবাধা কোন নিয়মের মধ্যে থাকতে হয়না।

যেভাবে ফ্রিল্যান্সিং কাজ হয়।

যখন কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার কোন কাজ আইটসোর্সিং করতে চান তখন তিনি কাজটির জন্য ফ্রিল্যান্সারদের সাথে বিড করেন। বিডের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার উল্লেখ করে দেন যে, কাজটি তিনি কত দিনের মধ্যে করে দিতে পারবেন এবং তার মূল্য কত। এভাবে একটি কাজের যে কয়টা বিড হয় তার মধ্য থেকে সবচেয়ে যোগ্য এবং সুবিধাজনক বিডটিকে ইমপ্লয়ার নির্বাচন করেন।এরপর সেই ফ্রিল্যান্সারদের সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

কিভাবে শুরু করবেন ?

এখানে কাজ পেতে হলে আপনার প্রোফাইলটিকে সুন্দর করে গুছিয়ে তৈরি করতে হবে যা দেখে ক্লাইন্ট আপনাকে কাজ দিতে আগ্রহি হবে।এবং আপনি যে প্রাইস বিট করবেন তা তার মনঃপুত্ত হতে হবে।আপনি বিভিন্ন মার্কেট প্লেস ঘুরে দেখুন কোন কাজের চাহিদা বেশি।

যেভাবে আপনার প্রোফাইল তৈরি করবেন?

নিজেকে কোন একটি কাজে দক্ষ করে তুলুন।আর আপনি যে কাজটি জানেন সেই কাজের কিছু স্যাম্পল তৈরি করুন ।আপনি দক্ষ কিনা জানতে বিভিন্ন সাইট প্লেসে পরিক্ষা দিতে পারেন ।আপনি যে কাজটি জানেন সে বিষয়ে বন্ধু মহলে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আর দুটি বিষয়ে দক্ষতা থাকা জরুরী ।তা হল ইন্টারনেট সম্পর্কে ভাল জ্ঞান এবং ইংরেজিতে দক্ষতা। কারন ক্লায়েন্টদের অধিকাংশই হবে বাইরের দেশের । এবং তাদের সাথে ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে হবে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ।

ফ্রিল্যান্সারদের মনে রাখতে হবে ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে সাফল্যের পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জের এর মুখোমুখি হতে হবে।কাজ করার নির্দিষ্ট কোন সময় থাকেনা আপনাকে রাতের বেলা কাজ করতে হতে পারে।কাজ কতদুর এগোল ক্লায়েন্ট যখন দেখতে চাইবেন তাকে দেখাতে হবে। এতে আপনার বাক্তিগত জীবনে অসুবিধা হতে পারে।নতুনদের আয়ের পরিমান কম বেশি হতে পারে প্রতি মাসে ।কোন কোন ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করতে দেরি করতে পারেন এই পেশাটাকে আপনার আপনজনেরা মেনে না নিতে পারেন ।

Save

Best Essential Photo Editing Software

Best Essential Photo Editing Software

By this post I am going to tell about the list of the best photo editing software so you can decide which will be best apps for you. All those software are world famous for Graphic Design, you may try now free version for one month or paid version for life time.

Photoshop CC

Pixlr

Serif PhotoPlus X7

Acorn

Photoshop Touch

GIMP

Photoshop Elements 13

Affinity Photo

Adobe Lightroom

DxO OpticsPro 10

PaintShop Pro X7

Camera+

Paint.net

Sumopaint

Pixelmator

Photoristic HD

Handy Photo

Photo Editor by Aviary

If you want to make your self a professional Graphic Designer you should choice one of them sometimes few. Before start professional like you may need a professional training? You can try AMWebCreation professional IT Training Center for start your Graphic Design carrier.

কেন ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারে বেছে নিবেন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট

কেন ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারে বেছে নিবেন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট হল বর্তমান পৃথিবীতে অতি পরিচিত কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(CMS) যা পিএইচপি ও মাইএসকিউএল ভিত্তিক একটি বিশেষ অনলাইন টুল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। উইকিপিডিয়ার মতে, ওয়ার্ডপ্রেস হল ফ্রী ও ওপেনসোর্স ব্লগিং টুল এবং একটি শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।

আপনি কেন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শিখবেন

ক্যারিয়ার হিসেবে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট খুব আকর্ষনীয়। ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্টের কাজ জানা মানুষের রয়েছে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা। সারা বিশ্বজুড়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারের মাধ্যমে অসংখ্য ওয়েবসাইট তৈরী হচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদা। সুতরাং ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমেই আপনি গড়ে তুলতে পারেন আপনার সফল ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার। তাছড়া আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শিখে ভালো মানের প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস থিম তৈরি করতে পারেন তবে এটি আপনি ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে অনেকবার বিক্রয় করতে পারবেন। শুধু তাই নয় ওয়ার্ডপ্রেস সাইট কাস্টোমাইজেশনের জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে প্রচুর কাজ জমা পড়ে আছে। সুতরাং ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদা যে আকাশচুম্বী সেটি সহজেই বুঝা যায়।

আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শেখার পূর্বে মান সম্মত একটি ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সেন্টার এর সাথে যোগাযোগ করুন। অন্য কোন ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার পূর্বে এএম ওয়েব ক্রিয়েশনে ভিজিট করুন।

আমাদের কাছে আপনি যে সকল সুবিধা পাবেনঃ

  • প্রজেক্টরের মাধ্যমে ক্লাস গ্রহন।
  • Wi-Fi করা ক্লাস রুম।
  • নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
  • হাতে কলমে প্র্যাকটিস এর সুবিধা।
  • চাকরিজীবীদের জন্য সন্ধ্যাকালীন ব্যাচের ব্যবস্থা।
  • অনলাইন সাপোর্ট
  • বিস্তারিত, প্রাঞ্জল এবং বোধগম্য ভিডিও টিউটোরিয়াল এর ব্যবস্থা। প্রয়োজনে পেন ড্রাইবে সরবরাহের ব্যবস্থা।
  • প্রতিটি ক্লাস রেকর্ড এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হয়।
  • এছাড়া লাইফটাইম সাপোর্ট সুবিধা পাবেন প্রত্যেক শিক্ষার্থী।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

বাড়ি নং#১০৬৯, শেখ ম্যানশন

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন

গাজীপুর চৌরাস্তা (সিয়াম সিএনজি পাম্পের বিপরীতে)

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন

গাজীপুর।

মোবাইলঃ ০১৮৮১০৪৯৩৯১,০১৮৮১০৪৯৩৯৪,০১৮৮১০৪৯৩৯৬

আমাদের সাথে থাকুন

ফেসইবুক
টুইটার
গুগল প্লাস
গুগল ম্যাপ

আর নয় বেকার সমস্যা পাবেন এবার চাকরির দেখা!

আর নয় বেকার সমস্যা পাবেন এবার চাকরির দেখা!

আপনি কি চাকরি খুঁজছেন কিংবা আপনি কি মান সম্মত চাকরি পাচ্ছেন না। এমন কিছু কোর্স আছে যেটা সম্পন্ন করে নিশ্চিন্তে চাকরি পেতে পারেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন। কেননা বর্তমান যুগ কম্পিউটারের যুগ,সরকারী কিংবা বেসরকারী অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি জরুরি অনুসঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ জন্য মেধাবী কিংবা সাধরণ শিক্ষার্থীর কাছে এসব কোর্সের গুরুত্ব বেড়েই চলেছে ।

একটা সময় ছিল যখন শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক কিছু বড় ডিগ্রীর প্রতি বেশি আগ্রহী ছিলো। কিন্তু বর্তমানে সে ধারণা পরিবর্তন হয়েছে। এখন একজন শিক্ষার্থীর প্রথম পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে চাকরির নিশ্চয়তা দেখে। কারণ পড়াশোনা শেষ করে কোন ক্রমেই বেকার থাকতে না হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চাকরির বাজারে চাহিদার তালিকায় এসেছে গ্রাফিক্স ডিজাইন। এই পেশায় যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে খুবই কম।

গ্রাফিক্স ডিজাইন বিষয়ে বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বিশাল বাজার। সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই এই কাজের রয়েছে বিশাল চাহিদা। সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও স্থাপিত দেশী-বিদেশি ডিজাইনিং, শিল্প কারখানা, বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান , ব্যাংক, ফ্যাশন হাউস, রিয়েল এস্টেট, গার্মেন্টস শিল্প, টেক্সটাইল প্রভৃতি ইন্ডাস্ট্রিতে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে যেতে হয় তাদের। মূলত গ্রাফিক্স ডিজাইনিং ছোট-বড় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমের অন্যতম প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত করা হয়। আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশ সমূহে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর গুরুত্ব অপরিসীম।

কোথায় শিখবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন?

আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার পূর্বে ভালো মান সম্মত একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন ট্রেনিং সেন্টার এর সাথে যোগাযোগ করুন। তাই আপনাকে প্রশিক্ষন গ্রহনের পূর্বে ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইন ট্রেনিং সেন্টার বেছে নিন। যারা আপনার চাহিদা অনূযায়ী গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রশিক্ষণ দিবে। যেমন-গাজীপুরে অবস্থিত এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন মান সম্মত একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন ট্রেনিং সেন্টার।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

বাড়ি নং#১০৬৯, শেখ ম্যানশন

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন

গাজীপুর চৌরাস্তা (সিয়াম সিএনজি পাম্পের বিপরীতে)

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন

গাজীপুর।

মোবাইলঃ ০১৮৮১০৪৯৩৯১,০১৮৮১০৪৯৩৯৪,০১৮৮১০৪৯৩৯৬

তাছাড়া অনলাইনে ভর্তির জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন

আমাদের সাথে থাকুন

ফেসইবুক

টুইটার

গুগল প্লাস

গুগল ম্যাপ

চাকরির পিছনে না ছুটে ফ্রীল্যান্সিং শিখুন।

চাকরির পিছনে না ছুটে ফ্রীল্যান্সিং শিখুন।

আপনি কি চাকরি বা পড়াশুনার পাশাপাশি কিছু করতে চান তাহলে আমি আপনাকে বলব, ফ্রীল্যান্সিং শিখুন। ফ্রীল্যান্সিং একটি স্বাধীন পেশা। আপনি ঘরে বসে একটি কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রতিদিন ৩/৪ ঘন্টা কাজ করে প্রতি মাসে প্রায় ১৫,০০০/২০,০০০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনি কেন ফ্রীল্যান্সিং শিখবেন?

বর্তমানে আমাদের দেশের প্রায় ৮০ভাগ লোক সৃজনশীল কাজ করতে চায়। যারা সৃজনশীল কাজ বা পেশা ভালবাসেন তারা চোখ বন্ধ করে ফ্রীল্যান্সিং শিখতে পারেন। আপনি এ কাজ স্বাধীনভাবে করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি যদি মনে করেন ফ্রীল্যান্সিং শিখে চাকরি করবেন, তবে দেশে কিংবা দেশের বাইরে আপনি ভালো মানের চাকরি করতে পারবেন।

আমাদের কোর্সসমূহঃ

  • ওয়েব ডিজাইন
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট
  • জুমলা ডেভেলপমেন্ট
  • ই-কমার্স ডেভেলপমেন্ট
  • সোস্যাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন
  • ইমেইল মার্কেটিং

আপনি এখান থেকে যে কোন একটি কোর্স শিখে আপনি ফ্রীল্যান্সিং করতে পারেন।

ফ্রীল্যান্সিং কোর্সে আপনি যা জানতে পারবেন

  •  কি এবং কোন ধরনের কাজ কি পরিমানে আছে।
  •  কি কি প্রয়োজন এবং কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন।
  • কাজ করার ক্ষেত্র এবং বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে বেসিক ধারনা।
  • আপনার জন্য উপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র খুঁজে বের করা।
  • কাজের জন্য আবেদন এবং কাজ পাওয়ার পদ্ধতি।
  • প্রোফাইল শতভাগ যেভাবে সম্পন্ন করবেন।
  • গুগোল এডসেন্স কি এবং এর মাধ্যমে আয়ের উপায়।
  • ব্যাসিক এইচটিএমএল স্ট্রাকচার এবং বিভিন্ন এইচটিএমএল ট্যাগ।
  • প্রোফাইল এর পোর্টফোলিও পেজটি যেভাবে পরিপুর্ন করবেন।
  • কভার লেটার এবং ওয়ার্ক সাবমিশন করার পদ্ধতি।
  • ব্লগস্পট সাইট বা নিজের ওয়েব-সাইটের মাধ্যমে যেভাবে আয় করবেন।

 

আপনি যে সকল সুবিধাদি পাবেন……

  • উন্নতমানের ক্লাসরুমের সুবিধা।
  • ক্লাসরুমে উন্নতমানের প্রোজেক্টর।
  • শুরু থেকে প্রফেশনাল লেভেল পর্যন্ত যাবতীয় বিষয় দেখানো।
  • হাতে কলমের পাশাপাশি প্র্যাক্টিকাল করে দেখানঅন
  • প্রাকটিস করার জন্য প্রয়োজনীয় সোর্স ফাইল, সফটওয়্যার এবং তথ্য প্রদান করা হবে।

অনলাইনে ভর্তির জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন।

আমাদের সাথে যোগাযোগ

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন

বাড়ি নং ১০৬৯,শেখ ম্যনসন,সিয়াম সি এন জি পাম্প এর বিপরীত পাশে,শিব বাড়ি রোড,গাজিপুর চৌরাস্তা।

Mobile +88 01881049391
Mobile +88 01881049394
Mobile +88 01846288000
Skype: am.webcreation

আমদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

গুগল ম্যাপ

গুগল প্লাস

ফেসবুক

টুইটার

ওয়েব ডিজাইন কী, কেন ওয়েব ডিজাইন শিখবেন?

ওয়েব ডিজাইন কী, কেন ওয়েব ডিজাইন শিখবেন?

ওয়েব ডিজাইন কী, কেন ওয়েব ডিজাইন শিখবেন?

ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের জন্য বাহ্যিক অবয়ব। ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হচ্ছে একটা সম্পূর্ণ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট বানানো। যেমন ধরুন ওয়েবসাইটের লেয়াউট কেমন হবে। হেডারে কোথায় মেনু থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজ গুলো কিভাবে প্রদর্শন করা হবে ইত্যাদি। কোন প্রকার এপ্লিকেশন ছাড়া একটা সাইট তৈরী করা এটাই ওয়েব ডিজাইন, এধরনের ডিজাইনকে বলা হয় স্টাটিক ডিজাইন।ওয়েব ডিজাইনের জন্য এই ধারনাটি সাধারনত ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এই ডিজাইন তৈরি করতে ব্যবহার করতে হবে কিছু প্রোগ্রামিং, স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ।

আপনি কেন ওয়েব ডিজাইন শিখবেন?

বাংলা দেশে মূলত একজন লোক ‘কোন কাজটা আমি শিখবো’ বা ‘আমি কোন কাজটা পারবো’ এধরনের প্রশ্ন না করে বরং বলে ‘কিভাবে সহজে আয় করবো’ বা ‘এটা শিখে কত টাকা আয় করবো’এ রকম চিন্তা করে। যারা আয় কত করবেন বা রাতারাতি কিভাবে আয় করবেন এইসব চিন্তা করেন তাদের কে বলছি আপনার জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। যদিও ওয়েব ডিজাইন আসলে উচ্চ আয়ের পেশার মধ্যে অন্যতম কিন্তু আপনি যদি আয়ের কথাটাই মাথায় রেখে এগুতে চান তাহলে আমি বলবো আপনার জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। ওয়েব ডিজাইন বা প্রোগ্রামিং এই ধরনের পেশা আসলে তাদের জন্য যারা ভাল কিছু করতে চান এবং নিজের কাজের মধ্যেই নিজেকে খুজে পেতে চান। ওয়েব ডিজাইন যেহেতু কোডিং এবং প্রোগ্রামিং এ ভরপুর আর প্রোগ্রামিং-এর নেশা ছাড়া প্রোগ্রামিং করা সম্ভব নয় তাই এধরনের কাজ শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা এই কাজের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। তবে বাস্তবতা হচ্ছে শিখে যাওয়ার পর আপনি অন্য যেকোনো পেশা থেকে এখানেই ভালো আয় করতে পারবেন।

আপনি কিভাবে ওয়েব ডিজাইন শিখবেন?

ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্টের হাজারো কাজ পাওয়া যায় এবং এই ধরনের কাজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুলনামূলক কম তবে চাহিদা বেশি। তাই সহজে কাজ পাবেন এবং এধরনের কাজের দামও অনেক বেশি। একজন সাধারন মানের ফ্রিলান্সারের ঘণ্টাপ্রতি কাজ করার রেট হয় ২/৩ ডলার, কিন্তু একজন ওয়েব ডিজাইনার এর ঘণ্টাপ্রতি রেট শুরুতেই ১০/১২ ডলার হয়ে থাকে। তবে অনেকের ধারনা ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট শিখে শুধু ফ্রিল্যান্সিং করতে হবে এবং না করলে আয় বন্ধ, তাদের জন্য বলছি, themeforest.net এবং এধরনের অনেক মার্কেট আছে যেখানে ওয়েব টেম্পলেট এবং ওয়েব ইলিমেন্ট খুবই ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এক্ষেত্রে আপনি আপনার একটি ডিজাইন করা টেম্পলেট অনেকবার বিক্রি করতে পারবেন এবং এবং কোয়ালিটি ভালো হলে প্রতিমাসে একেকটা টেম্পলেট এর আয় দিয়েই আপনি রাজার হালে চলতে পারবেন।তাছাড়া আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখে ভাল মানের চাকরি পেতে পারেন।

আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

বাড়ি নং#১০৬৯, শেখ ম্যানশন

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন

গাজীপুর চৌরাস্তা (সিয়াম সিএনজি পাম্পের বিপরীতে)

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন

গাজীপুর।

মোবাইলঃ ০১৮৮১০৪৯৩৯১,০১৮৮১০৪৯৩৯৪,০১৮৮১০৪৯৩৯৬

অনলাইনে ভর্তির জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন।

আমাদের সাথে থাকুন

ফেসইবুক
টুইটার
গুগল প্লাস
গুগল ম্যাপ

ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কোর্সে ৫০% ডিসকাউন্টে ভর্তি চলিতেছে।

ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কোর্সে ৫০% ডিসকাউন্টে ভর্তি চলিতেছে।

ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং শিখুন অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করুন! পবিত্র ইদুল আযহা উপলক্ষে এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন এর সকল ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কোর্স সমূহে ৫০% ডিসকাউন্টে ভর্তি চলিতেছে। এই সু্যোগ সীমিত সময়ের জন্য। আর কতকাল চাকুরির পিছনে ছুটবেন! এবার চাকুরিই আপনার পিছনে ছুটবে। নিন্মে আমাদের ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কোর্স সমুহের মূল্য তালিকা দেওয়া হল-

কোর্স সমূহের মূল্য তালিকাঃ

কোর্সের নাম পূর্ব মূল্য বর্তমান মূল্য
ওয়েব ডিজাইন ১১,০০০ ৫,৫০০
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ১৬,০০০ ৮,০০০
ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট ১৬,০০০ ৮,০০০
জুমলা ডেভেলপমেন্ট ১৬,০০০ ৮,০০০
ই-কমার্স ডেভেলপমেন্ট ১৬,০০০ ৮,০০০
সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন ১৩,০০০ ৬,৫০০
গ্রাফিক্স ডিজাইন ১৬,০০০ ৮,০০০
স্যোসাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন ১৩,০০০ ৬,৫০০
ই-মেইল মার্কেটিং ১৩,০০০ ৬,৫০০
যোগাযোগের ঠিকানাঃ

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন,
বাড়ি নং #১০৬৯, শেখ ম্যানশন
গাজীপুর চৌরাস্তা (সিয়াম সিএনজি পাম্পের বিপরীতে),গাজীপুর।
মেইলঃ amwebcreation@yahoo.com
মোবাইলঃ ০১৮৮১০৪৯৩৯১, ০১৮৮১০৪৯৩৯৪, ০১৮৮১০৪৯৩৯৬

Free WordPress Themes, Free Android Games