আকর্ষণীয় অফারঃ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কোর্সে ৫০% পর্যন্ত ছাড়!

ফ্রিতে শিখুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং আর জানুন অনলাইন আরনিং এর A to Z

ফ্রিতে শিখুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং আর জানুন অনলাইন আরনিং এর A to Z

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর যেকোন ধরনের কাজ ফ্রিতে শিখতে এবং অনলাইন আরনিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি হতে পারে আপনার কাছে অনলাইন আরনিং এর জন্য সেরা গাইডলাইন।

আমি আজকে আপনাদের সামনে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বাংলাদেশ থেকে কি কি কাজ করলে ভালো হয় এবং কোন কোন কাজ করলে অনেক বেশি আয় করা যায়, কার জন্য কোন কাজ করলে ভাল হবে ইত্যাদি। আপনি যদি আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়েন। তাহলে এখান থেকে পেয়ে যেতে পারেন আপনার জন্য সঠিক কাজটির দিক নির্দেশনা।
ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বাংলাদেশ থেকে কোন কোন কাজ করলে আপনি অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন এবং অনেক বেশি আয়ও করতে পারবেন তার একটা তালিকা নিচে দেওয়া হল।

১। ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট
২। গ্রাফিক্স ডিজাইন
৩। ইউটিউব
৪। অনলাইন মার্কেটিং
৫। ব্লগিং

যদিও অনলাইনে প্রায় ৫০০ এর বেশি ধরনের কাজ আছে। কিন্তু আমরা সবসময় সবাইকে এই ৫ ধরনের কাজ করার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি। সাধারণত সবাইকে বলতে শোনা যায় যে “কোন কাজ টি করলে আমার জন্য ভালো হবে, কিভাবে কোথা থেকে শিখবো, কোথা থেকে কাজ পাবো” এই ধরনের অনেক প্রশ্ন। আজ আমি এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। এবার তাহলে ধারাবাহিক ভাবে প্রতিটি কাজ নিয়ে নিচে আলোচনা শুরু করা যাক।

ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টঃ

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের স্থানটা সবার উপরেই রাখতে হবে। কারণ প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের চাহিদা অনেক বেশি। কাজ ভাল পারলে অনেক বেশি আয়ও করা যায়। অনেক ডেভেলপার আছে যারা প্রতি সপ্তাহে ১/২ টি কাজ করে ৫০০ থেকে ৬০০ ডলারের বেশি আয় করে। আর একটা বড় সুবিধা হল ওয়েব ডেভেলপাররা ফ্রিল্যান্সিং না করেও যেকোন আইটি ফার্ম এ কোন সার্টিফিকেট ছাড়ায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতনের জব করতে পারে। আপনার কাজ হলো শুধু কাজটি ভালভাবে শেখা।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

Udemy (free course)
Learncode.academy (YouTube channel)
Stackoverflow (ask here any question)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

upwork
Freelancer
fiverr
Any IT firm in Bangladesh

গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ

এবার আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে। এটা একটি ক্রিয়েটিভ কাজ। সবাই করতে পারেনা। তবে যারা করতে পারে তারা প্রতি মাসে অনেক বেশি আয় করতে পারে। যদিও গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স গুলার রেটটা অনেক বেশি, তবে সমস্যা নেই। আমি নিচে কিছু ফ্রি রিসোর্স দিচ্ছি। সেখান থেকে ফ্রিতে শিখতে পারবেন। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদাটা ওয়েব ডিজাইনের থেকেও বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে। যেমন, ব্যানার ডিজাইন, থ্রিডি, গেমস, লোগো ডিজাইন, এরকম হাজারও গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ আছে যেগুলোর মূল্য অনেক বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে আমার ধারনা একটু কম। কিন্তু যতটুকু জানি সেটা নিচে দিলাম।

শিখবেন কোথা থেকেঃ

Alison (free course)
GFX (Youtube channel)
Atique Ullah (Bangla youtube channel)

কাজ পাবেন কোথায়ঃ

upwork
Freelancer
fiverr
Graphicriver
99designs
DesignCrowd
Designhill

৩। ইউটিউবঃ

ইউটিউব নিয়ে আমার মনে হয় নতুন করে কিছু বলার নেই। সবাই এটা নিয়ে কম বেশি জানে। আপনাকে শুধু জানতে হবে যে, কিভাবে খুব ভাল মানের ভিডিও তৈরি করতে হবে এবং ভিডিওর ভিউ কিভাবে বাড়াতে হবে। টুকটাক ভিডিও এডিটিং জানলে এবং টুকটাক সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং জানলে ইউটিউবে খুব সহজেই প্রচুর ইনকাম করা যায়। বলা যায়, অনলাইনে কম পরিশ্রমে আনলিমিটেড ইনকাম করা যায় একমাত্র ইউটিউব থেকে। ইউটিউব সম্পর্কে টুকিটাকি সব কিছু জানতে হিন্দি ইউটিউব চ্যানেলঃ My Smart Support ফলো করতে পারেন। এবং যারা কম সময় খরচ করে অনেক বেশি ইনকাম করতে চান তাদেরকে আমি সব সময় ইউটিউবে কাজ করতে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

৪। অনলাইন মার্কেটিং

অনলাইন মার্কেটিং এর সংজ্ঞা টা অনেক বড়। আসলে অনলাইন আরনিং এর প্রায় সব কাজই অনলাইন মার্কেটিং এর সাথে রিলেটেড। তবে সাধারণত অনলাইন মার্কেটিং বলতে আমরা যে বিষয় গুলা জানি তা হলোঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং, সোশ্যাল মার্কেটিং সহ আরো অনেক ধরনের মার্কেটিং। অনলাইন মার্কেটিং ২ ভাবে করা যায়ঃ ফ্রি মেথড এবং পেইড মেথড। যাদের অনেক টাকা আছে এবং অনলাইনে বিজনেস করতে চান তারা পেইড মেথডে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পেইড মেথডে করলে কোনও কিছু শেখার দরকার হয়না এবং প্রচুর লাভ আসে। কিন্তু ফ্রি মেথডে কাজ করলে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং অনেক কিছু শিখতে হয়। যারা ফ্রি মেথডে কাজ করতে চান তাদের জন্য সব থেকে ভাল রিসোর্স হলঃ Web Trainings Academy (YouTube channel)।

৫। ব্লগিং

ব্লগিং টা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। প্রথমে একটা ডোমেইন কিনতে হবে, এরপর সাইটে ইউনিক লেখালেখি করতে হবে, অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে অ্যাড লিঙ্ক নিয়ে এসে সাইটে বসাতে হবে, তারপর নিজের সাইট টাকে মার্কেটিং করতে হবে। সাইটে যত ভিজিটর আসবে অ্যাড প্রোগ্রাম থেকে তত ইনকাম আসবে। ব্লগিং করার প্রক্রিয়াটা সহজ কিন্তু কাজ করা কঠিন। এখানে কোনও টেকনিক্যাল ব্যাপার নেই কিন্তু অনেক পরিশ্রম করতে হয়। ইউনিক আর্টিকেল লেখাটা যেমন কঠিন তেমন সাইটে প্রতিদিন ভিজিটর আনাটা আরো কঠিন কাজ। এই দুইটা কাজ যদি আপনি করতে পারেন তাহলে প্রতিমাসে প্রচুর আয় করতে পারবেন।

সবশেষে বলতে চাই, অন্যান্য কাজের মত অনলাইনে কাজ করাটাও অনেক কষ্টের। তবে ধৈর্য ধরে করলে এখান থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করাটা খুব কঠিন কোনও ব্যাপার না। এরপরও যদি ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং ও অনলাইন আরনিং সম্পর্কে আপনাদের আরও কিছু জানার থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ইউটিউব থেকে আয় করার সবচেয়ে সহজ ৫টি উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করার সবচেয়ে সহজ ৫টি উপায়

বেশিরভাগ মানুষ ইউটিউব ব্যাবহার করে সম্পূর্ণ মজার খোঁড়াক হিসেবে। কেউ ব্যাবহার করে নিজের বিভিন্ন ক্রিয়েটিভিটি প্রদর্শন করে রাতারাতি খ্যাতি পাওয়ার জন্য আবার কেউ এটি ব্যাবহার করে নিজের এবং বন্ধুবান্ধবদের একান্ত কিছু স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সারাজীবন। কিংবা কেউ হয়তো বিদেশে থাকা প্রিয়জনের কাছে নিজেদের বিশেষ আয়োজন বা মুহূর্ত পৌঁছে দেয় ইউটিউব এ আপলোড করা একটি ভিডিও এর মাধ্যমে।

কিন্তু যেসকল মানুষ প্রতিনিয়ত ইউটিউব ব্যাবহার করে শুধু শখের বসে তারা জানেই না যে আপনার আপলোড করা এই ভিডিও গুলো অনায়াসে হতে পারে আপনার আয়ের উৎস। খুব সহজ সাধারন কিছু নিয়ম অনুসরন করে অনলাইনের আয়ের যেকোনো ক্ষেত্র থেকে অনেক দ্রুত আয় করা যায় ইউটিউব থেকে। শুধু জানতে হয় আয়ের সঠিক পথ। তো চলুন দেখে নেই কি কি ভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন–

১. ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে

ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে এটাই ইউটিউব থেকে আয় করার সব থেকে জনপ্রিয় এবং বড় মাধ্যম। আমরা সকলেই জানি যে ইউটিউব হচ্ছে গুগল এর একটি সেবা। আবার গুগল অ্যাডসেন্স ও গুগলের। তাই ইউটিউব এর ব্যাপারে গুগলের প্রাধান্য অনেক। এমনকি আপনি মাত্র কয়েকটা ছোট ছোট ভিডিও দিয়েই একটি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করাতে পারবেন। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য ইউটিউব হচ্ছে অন্যতম সহজ একটি পদ্ধতি। সেরা আর্নাররা শুধুমাত্র ইউটিউব অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করে মাসে কয়েক লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে থেকে!

২. নিজের পণ্য বিক্রি করে

ইউটিউব থেকে আয় করুন নিজের পণ্য বিক্রি করে, ধরুন আপনার নিজের একটা ফ্যাশন হাউজ আছে। এখন আপনি যদি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডজ সম্পর্কে কিছু ভিডিও তৈরি করেন এবং সাথে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছুটা রিভিও যুক্ত করে আপলোড করেন তবে ইউটিউব হতে পারে আপনার নিজের পণ্য মার্কেটিং এর সবথেকে বড় মাধ্যম। এখন আপনি বলতে পারেন যে এভাবে কত জনই বা কিনতে পারে। কিন্তু আপনি জানেন কি ইউটিউব এ আপনি কি পরিমান ভিসিটর পেতে পারেন? যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও গুলোর ভিউ থেকে আপনি সহজেই তা বুঝতে পারবেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে ওয়েব সার্চ এর তাবৎ ক্রয়যোগ্য (অর্থাৎ যে কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে মানুষ কোন প্রোডাক্ট কিনার জন্যই সার্চ করে) সার্চের বেশির ভাগটাই ইউটিউবে হয়। মানে কেউ কোন পণ্য কিনার জন্য মন স্থির করলে সেই পণ্য সম্পর্কে জানতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিওই দেখে থাকে।

৩. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর রিভিউ করে

ইউটিউব থেকে আয় করুন এফিলিয়েট করে এটি ইউটিউব ব্যাবহারের আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই ক্ষেত্রে মানুষ আমাজন বা অন্য কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর পণ্যের এফিলিয়েশন করে থাকে। সাধারনত নিজের এফিলিয়েট লিঙ্ক ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে দেওয়া হয় এবং ভিডিও তে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিও প্রদান করা হয়। সেই ভিডিও থাকাকালীন কেউ যদি ঐ লিঙ্কের মাধ্যমে গিয়ে কোন পণ্য ক্রয় করে থাকে তবে এফিলিয়েটর কমিশন পায়। এইভাবে এফিলিয়েশন করলে খুবই কম খরচে বা বিনা খরচে আপনি সহজেই মাস গেলে অনেক টাকা কামিয়ে নিতে পারবেন।

৪. ইউটিউব এর পার্টনার হোন

ইউটিউব থেকে আয় করুন পার্টনার হয়ে, বর্তমানে পৃথিবী ব্যাপী প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ইউটিউব পার্টনার আছেন। পার্টনাররা ভাড়ার ভিত্তিতে ভিডিও অভারলেয় করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং আয় ইউটিউব এর সাথে ভাগাভাগি করে নেয়। তাদেরদে অনেক সময় ব্রান্ডদের এন্টারটেইনার বা ভিডিও মার্কেটার হিসেবে হায়ার করাও হয়ে থাকে। অনেক সময় একটা ব্রান্ডের জন্য বিশেষ ভিডিও তৈরি করেও এরা অনেক টাকা উপার্জন করে।

৫. আপনার ভিডিওর ডেসক্রিপশনে লিঙ্ক বিক্রি করুন

ইউটিউব থেকে আয় করুন লিঙ্ক বিক্রি করে এটা অনেক মজার একটা আয়। ধরুন যেকোনো বিষয়ের উপর আপনার একটা ভিডিও ইউটিউব এ প্রথম দিকে আছে। এই মুহূর্তে এই ধরনের প্রোডাক্ট যাদের আছে আপনি চাইলেই তাদের কাছে এককালীন অথবা দীর্ঘমেয়াদী শর্তে একটা লিঙ্ক বিক্রি করতে পারেন যা আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে থাকবে। কয়েকটা ভিডিও তে এসইও করেই আপনি এইভাবে লিঙ্ক বিক্রি শুরু করতে পারেন।

তবে এই ক্ষেত্রে ভিডিও তে অবশ্যই ভালো মানের ভিসিটর থাকতে হবে আর এভাবে লিঙ্ক দিয়ে আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট বা ওয়েব ব্লগেও প্রচুর পরিমান ট্রাফিক আনতে পারেন।

এইধরনের আরও বেশ কিছু উপায় আছে ইউটিউব থেকে আয় করার। তবে সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে কাজ করার মানসিকতা। নিয়মিত কাজ করলে যেকোন উপায়েই আপনি আয় করতে পারবেন। কিংবা আপনি নিজেও আরও উপায় খুজে পাবেন আয় করার।

ফ্রী সেমিনার, কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন?

ফ্রী সেমিনার, কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন?

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

free-seminar

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন গাজীপুরের সর্ববৃহৎ আইটি ট্রেনিং সেন্টার এবং আইটি ইনস্টিটিউট।

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন ৫র্থ বারের মতো গাজীপুরে আয়োজন করতে যাচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং এর উপর একটি ক্যারিয়ার নির্ভর ওয়ার্কশপ – ফ্রী সেমিনার, কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করবেন??

এ সেমিনারটি সবাইর জন্য উন্মুক্ত, যেকেউ উপস্থিত হতে পারবেন।

আগামী ৩১ অক্টোবর  সোম বার ২০১৬,  , সময়: বিকাল :০০ টা সন্ধ্যা: :০০ টা

আপনি উপস্থিত থাকতে ইচ্ছুক হলে অবশ্যই দুপুর :৫০ মিঃ এর মধ্যে উপস্থিত থাকতে হবে।

এবং আপনাকে যা করতে হবে

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।

ফরমটি পূরণ করুন।

https://goo.gl/forms/nHYfMVQdjyOraHfm2

 

আমরা যা আলোচনা করবো

 

আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং কি,

বর্তমানে আউটসোর্সিং মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশের অবস্থান,

বর্তমান মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়ার্ডপ্রেস এর চাহিদা,

ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ফ্রিল্যান্সার ক্যারিয়ার

ইউটিউব কি ভাবে ইনকাম করা যায়।

ব্লগে কি ভাবে ইনকাম করা যায়।

ওয়েবসাইটে কি ভাবে ইনকাম করা যায়।

 

ওয়ার্কশপটির ভেনুঃ

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন কর্পোরেট অফিস

শেখ ম্যানশন, ২য় তলা

(সিয়াম সিএনজি স্টেশনের বিপরীত পার্শ্বে),

গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।

হট লাইন

০২ ৯২৬৩১৩৬

০১৮৮১০৪৯৩৯১

 

ফ্রীল্যান্সিং কেন শিখবেন

বর্তমান সময়ে ফ্রীলান্সিং বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে অর্থনৈতিক চালিকা শক্তির সবচেয়ে গুরুপ্তপূর্ণ মাধ্যম। বিশেষ করে যুব সমাজের কাছে যারা লেখাপড়ার পাশাপাশি অন্য কিছু করতে চায়। অনেক সময় দেখা যায়, এই পেশায় তারা এমনভাবে জড়িয়ে পড়েন যে , অনেকেই তাদের ভবিষ্যতের আয় উন্নতির স্থায়ী পথ হিসেবে বেচে নেয়।

আমাদের দেশ এবং বিশ্বের প্রায় দেশেই ফ্রীল্যান্সিং করেন এমন লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু তাদের সবাই কি শতভাগ সফল হতে পারছেন। সর্বদা মনে রাখবেন ফ্রীল্যান্সিং একটি স্বাধীন বা মুক্ত পেশা, সেখানে আপনার ব্যক্তিগত জবাবদিহিতার চেয়ে কাজের জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই ইনকাম করার জন্য, এবং আপনি যার কাছ থেকে এই ইনকাম করবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করতে হবে। তাই যদি হয়, আপনার কাজে যদি ভুল থাকে, আপনার কাজে যদি কোন জবাবদিহিতা না থাকে, আপনি যদি কাজ করার ক্ষেত্রে অমনযোগী হন, আপনার কাজে যদি কোন স্বচ্ছতা না থাকে তাহলে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল হওয়া অসম্ভব।

আউটসোর্সিং এ সর্বদা আপনি নিজেকে মূল্যায়ন করবেন। আপনার কাজের দক্ষতায় আপনাকে উপরের স্তরে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে, তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের মধ্য দিয়ে কাজটি গ্রাহককে প্রদান করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান থেকে ঝরে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ পাবার সম্ভাবনাও বেড়ে অনেক খানি বেড়ে যাবে।

আপনি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং শিখবেন

 

বর্তমানে ফ্রীল্যান্সিং শেখার অনেক উপায় আছে। আপনি বিভিন্নি মাধ্যমে ফ্রীল্যান্সিং শিখতে পারেন। বিভিন্ন টেক্সট ও ভিডিও টিওটোরিয়াল দেখেও ফ্রীল্যান্সিং শিখতে পারেন।

 

আপনি যদি একেবারেই নতুন হন তবে এসকল টেক্সট ও ভিডিও টিওটোরিয়াল কোন কাজে আসবে না। এজন্য আপনি কোন দক্ষ আইটি ট্রেনিং সেন্টার/আইটি ইনস্টিটিউট এ সাথে যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা সেখানে ফ্রীল্যান্সিং শিখতে পারেন।

 

আপনাদের চাহিদা অনূসারে এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন সুনামের সাথে ফ্রীল্যান্সিং ট্রেনিং সেবা প্রদান করে থাকে।
আরও বিস্তারিত জানতে আগামী

আগামী ৩১ অক্টোবর  সোম বার ২০১৬,  , সময়: বিকাল :০০ টা সন্ধ্যা: :০০ টা ফ্রীল্যান্সিং বিষয়ক ফ্রী সেমিনারে যোগাযোগ করুন।

 

আইটি ট্রেনিং সেন্টার

Save

Save

Free WordPress Themes, Free Android Games