সোস্যাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন?

পৃথিবীটা কম সময়ের মধ্যে ডিজিটাল পৃথিবীতে পরিণত হতে চলেছে। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ,  এবং আরো অনেক ইলেক্ট্রনিক্স এর মাধ্যমে ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহার মানুষের একটি দৈনিক অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই এখনো তাদের বিপণন কৌশলে এটার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে পারছেনা। সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং এর চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত ,বহুমুখী বাস্তব সম্মত। ডিজিটাল মার্কেটিং একই সাথে ভোক্তা এবং বিপনণকারী উভয়েরই সমান উপকারে আসে। সুতরাং যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে মার্কেটিং এর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ইন্টারনেট প্রযুক্তি মাধ্যমে মার্কেটিং পদ্ধতিই হল ডিজাটাল মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং ভোক্তাদের নিকট যে কোন সময় যে কোন প্রকার তথ্য পৌছে দেয়ার জন্য অন্যতম। ধরুন ডিজিটাল মিডিয়া টেলিভিশন একমুখী প্রচার মাধ্যম। এর মাধ্যমে ভোক্তার রুচি চাহিদা সম্পর্কে অবগত হওয়া যায় না। ডিজিটাল মিডিয়া খবর, বিনোদন,  কেনাকাটা এবং সামাজিক ইন্টারঅ্যাকশন একটি সদা বর্ধমান উৎস এবং ভোক্তাদের এখন না শুধু আপনার কোম্পানি আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে বলেছেন, কিন্তু  মিডিয়া, বন্ধু, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মীরা, কি বলছে সেটা যেমন উন্মুক্ত হয় এবং তারা আপনার চেয়ে তাদের বিশ্বাস করার সম্ভাবনা বেশি। মানুষ তাদের চাহিদা এবং পছন্দ মতন তারা বিশ্বাস করতে পারেন ব্রান্ডের। ডিজিটাল মার্কেটিং একমাত্র পদ্ধতি যা সর্ব স্তরের ক্রেতা এবং ভোক্তার নিকট পৌছানো যায়। এবং তাদের ব্র্যান্ড সম্পর্কে তাদের মতামত সরাসরি জানা যায়।

কেন ডিজিটাল মার্কেটিং?

প্রথমত, ডিজিটাল মার্কেটিং প্রচলিত অফলাইন মার্কেটিং পদ্ধতির চেয়েও আরও বেশি সাশ্রয়ী হয়। একটি টিভি বিজ্ঞাপন বা সংবাদপত্র অ্যাড এর চেয়ে খরচ অনেক কম। তাছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বহু সংখ্যক সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে পৌঁছতে পারে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রতিটি ধাপ এবং পর্যায় আপনি পরিমাপ করতে পারেন। কোন ডিজিটাল মিডিয়া আপনার কতটা কাজে আসছে? কতজন প্রতিদিন অ্যাড হচ্ছে? কতজন লাইক দিচ্ছে? ওয়েবসাইটে কতজন প্রতিদিন ভিজিট করছে প্রতিটা কার্যক্রম পরিমাপযোগ্য। আপনার যদি ওয়েবে উপস্থিতি না থাকে, কিভাবে আপনি সম্ভাব্য ক্রেতাদের আপনাকে খুঁজে পাবে বলে আশা করেন? ইন্টারনেটে চমৎকার কন্টেন্ট, চমৎকার প্রোডাক্ট গ্যালারী, চমৎকার প্রোডাক্ট রিভিউ থাকে তাহলে মানুষ আপনার ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ধরে নেবে। আপনি যদি সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে গ্রাহকদের এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে যুক্ত থাকেন, তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন তাহলে,আপনি তাদের সঙ্গে বিশ্বাস গড়ে তুলতে পারবেন আর তখন তারা আপনার প্রতিযোগীদের কাছে নয় আপনার কাছে আসবে।

অনলাইনে এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৯২% ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যারা ব্লগিং করে তারা অনলাইনে নতুন গ্রাহক পায়, প্রায় প্রতিদিন। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রায় ১০০% বেশি লিড আসে অন্যান্য মার্কেটিং এর তুলনায়, প্রায় ৭৭% ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের নতুন গ্রাহক পায় ফেসবুক থেকে। মনে রাখবেন আপনার গ্রাহকরা বেশিরভাগ সময় আছেন অনলাইনে এবং এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অনলাইন ডিজিটাল মার্কেটিংএ আপনাকে এমন নতুন কোন চমৎকার কৌশল ধরে রাখতে হবে, যা সর্বদা আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে রাখবে। আপনাকে এমন কিছু করতে হবে আপনার প্রতিযোগীদের চিন্তায় যা আসে নি।

কিভাবে শিখবেন ডিজিটাল মার্কেটিং?

বাংলাদেশে ওয়েবসাইট ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি শেখার অনেক ট্রেনিং সেন্টার পাবেন কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার জন্য ভাল কোন ট্রেনিং সেন্টার একমাত্র গাজীপুরের এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন। আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং অন্য কোন উপায়ে শিখতে পারবেন না। শিখতে পারলেও আপনি ভাল কোন কাজ করতে পারবেন না।

তবে আর দেরী কেন এখনি চলে আসুন আমাদের এই ঠিকানায়।

AMWebCreation
House#1069, Sheikh Manshion, Shibbari Road,
(Opposite of Siam CNG Pump), Gazipur Chowrasta,
Gazipur City Corporation, Gazipur
Telephone: 0249263136
Mobile: 01881049394
E-mail: amwebcreation@yahoo.com

ফ্রী সেমিনার, কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন?

ফ্রী সেমিনার, কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন?

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

free-seminar

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন গাজীপুরের সর্ববৃহৎ আইটি ট্রেনিং সেন্টার এবং আইটি ইনস্টিটিউট।

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন ৫র্থ বারের মতো গাজীপুরে আয়োজন করতে যাচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং এর উপর একটি ক্যারিয়ার নির্ভর ওয়ার্কশপ – ফ্রী সেমিনার, কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করবেন??

এ সেমিনারটি সবাইর জন্য উন্মুক্ত, যেকেউ উপস্থিত হতে পারবেন।

আগামী ৩১ অক্টোবর  সোম বার ২০১৬,  , সময়: বিকাল :০০ টা সন্ধ্যা: :০০ টা

আপনি উপস্থিত থাকতে ইচ্ছুক হলে অবশ্যই দুপুর :৫০ মিঃ এর মধ্যে উপস্থিত থাকতে হবে।

এবং আপনাকে যা করতে হবে

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।

ফরমটি পূরণ করুন।

https://goo.gl/forms/nHYfMVQdjyOraHfm2

 

আমরা যা আলোচনা করবো

 

আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং কি,

বর্তমানে আউটসোর্সিং মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশের অবস্থান,

বর্তমান মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়ার্ডপ্রেস এর চাহিদা,

ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ফ্রিল্যান্সার ক্যারিয়ার

ইউটিউব কি ভাবে ইনকাম করা যায়।

ব্লগে কি ভাবে ইনকাম করা যায়।

ওয়েবসাইটে কি ভাবে ইনকাম করা যায়।

 

ওয়ার্কশপটির ভেনুঃ

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন কর্পোরেট অফিস

শেখ ম্যানশন, ২য় তলা

(সিয়াম সিএনজি স্টেশনের বিপরীত পার্শ্বে),

গাজীপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।

হট লাইন

০২ ৯২৬৩১৩৬

০১৮৮১০৪৯৩৯১

 

ফ্রীল্যান্সিং কেন শিখবেন

বর্তমান সময়ে ফ্রীলান্সিং বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে অর্থনৈতিক চালিকা শক্তির সবচেয়ে গুরুপ্তপূর্ণ মাধ্যম। বিশেষ করে যুব সমাজের কাছে যারা লেখাপড়ার পাশাপাশি অন্য কিছু করতে চায়। অনেক সময় দেখা যায়, এই পেশায় তারা এমনভাবে জড়িয়ে পড়েন যে , অনেকেই তাদের ভবিষ্যতের আয় উন্নতির স্থায়ী পথ হিসেবে বেচে নেয়।

আমাদের দেশ এবং বিশ্বের প্রায় দেশেই ফ্রীল্যান্সিং করেন এমন লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু তাদের সবাই কি শতভাগ সফল হতে পারছেন। সর্বদা মনে রাখবেন ফ্রীল্যান্সিং একটি স্বাধীন বা মুক্ত পেশা, সেখানে আপনার ব্যক্তিগত জবাবদিহিতার চেয়ে কাজের জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই ইনকাম করার জন্য, এবং আপনি যার কাছ থেকে এই ইনকাম করবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করতে হবে। তাই যদি হয়, আপনার কাজে যদি ভুল থাকে, আপনার কাজে যদি কোন জবাবদিহিতা না থাকে, আপনি যদি কাজ করার ক্ষেত্রে অমনযোগী হন, আপনার কাজে যদি কোন স্বচ্ছতা না থাকে তাহলে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল হওয়া অসম্ভব।

আউটসোর্সিং এ সর্বদা আপনি নিজেকে মূল্যায়ন করবেন। আপনার কাজের দক্ষতায় আপনাকে উপরের স্তরে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে, তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের মধ্য দিয়ে কাজটি গ্রাহককে প্রদান করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান থেকে ঝরে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ পাবার সম্ভাবনাও বেড়ে অনেক খানি বেড়ে যাবে।

আপনি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং শিখবেন

 

বর্তমানে ফ্রীল্যান্সিং শেখার অনেক উপায় আছে। আপনি বিভিন্নি মাধ্যমে ফ্রীল্যান্সিং শিখতে পারেন। বিভিন্ন টেক্সট ও ভিডিও টিওটোরিয়াল দেখেও ফ্রীল্যান্সিং শিখতে পারেন।

 

আপনি যদি একেবারেই নতুন হন তবে এসকল টেক্সট ও ভিডিও টিওটোরিয়াল কোন কাজে আসবে না। এজন্য আপনি কোন দক্ষ আইটি ট্রেনিং সেন্টার/আইটি ইনস্টিটিউট এ সাথে যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা সেখানে ফ্রীল্যান্সিং শিখতে পারেন।

 

আপনাদের চাহিদা অনূসারে এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন সুনামের সাথে ফ্রীল্যান্সিং ট্রেনিং সেবা প্রদান করে থাকে।
আরও বিস্তারিত জানতে আগামী

আগামী ৩১ অক্টোবর  সোম বার ২০১৬,  , সময়: বিকাল :০০ টা সন্ধ্যা: :০০ টা ফ্রীল্যান্সিং বিষয়ক ফ্রী সেমিনারে যোগাযোগ করুন।

 

আইটি ট্রেনিং সেন্টার

Save

Save

Increase Search Engine Crawl Rate

Increase Search Engine Crawl Rate

Search Engine Optimization service area simple and successful tips to increase site crawl speed
Firstly update your site content regularly and the content should be carries out the keywords what you want to show to traffic.

Increase your page rank with Google as the entire search engine high PR site crawl rate high,

Server is the most effective issue for visitor as no one want to stay in site for more times to load, as 80% of visitor are comes from search engine and search engine dose not shown only your site, so page load speed is too impotence for web site Google crawl.

Avoid duplicate content its mean don’t update any copy content what already published in some others site, duplicate content against of Google search engine quality.

Building block right of entry to not needed page via robots.txt

Using Google webmaster tools check and optimize Google crawl rate, by WMT you can see your site crawl rate now.

Once update your content most welcome to use ping services to demonstrate your site being there and give permission to bots recognize when your site content is reorganized

Once complete site submit to online directories,
Make alt tag to the entire use image in the site,
Overall use social media service once published you content and that will make you site crawl rate,

You are most welcome to our Service and Training

SEO Service by AMWebCreation in Gazipur, Dhaka, Bangladesh,

SEO Training from Gazipur, SEO Training,

Save

Advantages of E-Commerce

Advantages of E-Commerce

Advantages of E-Commerce

Electronic E-commerce has working wonders like magic. E-Commerce has working through internet by selling and purchasing services and products as well. E-Commerce advantages can be seen in every sector of our modern lives. Likewise, marketing, shopping, consulting, design, graphics, solution, email marketing and so on. If anyone or any companies will use E-Commerce efficiently, they can broaden their national and international market with the smallest investment. In addition, any other person and organization can make their business convenient in terms of technology, supply, suitability, services and so on. It helps organizations to enhance output, quality and become well known to its consumers.

Advantages of E-Commerce for Business

With the increasing popularity of E-Commerce, now-a-days all kinds of business are depending on it with their business methods. It is quite easier than before to incorporate a workable elucidation for many business organizations. Moreover, there are several advantages which business organizations and related persons are received, and these are given below here-

In terms of Sales: Online sales are increasing dramatically from the last couple of years. Online buyer can pay their payments with PayPal, Visa card, Master Card.

  • In terms of Consumers: By seeing advertise online, people can choose their products, dress, needed goods very easily by sitting at home. Business organizations cannot attract their customers easily, and in this matter E-Commerce help them to do so.
  • 24/7 Hour services: Which business is not using E-Commerce they discover many troubles to open their business in 24/7 hours. Due to many foreign customers are also can be part of your business. So, you should be up to date all the time.
  • Immediate transaction: To transact instantly E-Commerce helps to do so. E-Commerce transactions are done within a seconds and receive fund constantly.

Advantages of E-Commerce for developing Country

Developing countries are take benefits more and go ahead with success with the help of E-Commerce. They use E-Commerce in every sector of their modern life. They reduce difficulties and use E-Commerce successfully to get prosperity. In other words, for standard products and reasonable prize, E-market place is opened. This process has zero risk with several new features. Developing countries can advertise their products to overseas and profit at foreign currencies. In addition, E-Commerce advantages are used efficiently by developing countries to get their goals. Developing countries remove their obstacles and go ahead to compete this competitive world. All the advantages are working in developing countries like blessings.

Advantages of E-Commerce for Consumers

Consumers are the most beneficial in today’s world through E-Commerce. E-commerce fulfills consumer’s needs and secures their lives. Consumers receive numerous advantages such as- 24/7 hours services, easy transaction, can buy and sell product at any where of the country. Similarly, this system provides their consumer quick delivery and more options. It has cheap and good quality products as well. People can collect information about a service and product in a quick view. Consumers do not need to travel for shop or market too. This system appearance is in any part of the world along with rural areas. Moreover, E-Commerce also helps to the Government to serve people education, healthcare, taxes and so on.

আপনি কি আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে চান?

আপনি কি আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে চান?

আপনি কি আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে চান?

ভিজিটর হচ্ছে ওয়েবসাইটের প্রাণ। আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন কিন্তু কেউ জানল না কিংবা কোন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করলো না তবে আপনার ওয়েবসাইট মূল্যহীন। আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে হবে পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ব্যবহার করতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে প্রথমত বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার সাইটের নামে পেজ অথবা ফ্যান পেজ তৈরি করতে হবে। ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে নিচে আরও কিছু উপায় দেওয়া হল।

১। ব্লগ কমেন্টসঃ ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে ব্লগ কমেন্টস একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আপনি একটি ব্লগ সাইটে গিয়ে একটি পোষ্টে কমেন্টস করে পাশাপাশি আপনার ওয়েবসাইটের লিংক রেখে আসতে হবে । যদি কোন ভিজিটর আপনার কমেন্টসটি পড়ে তবে আপনার রেখে আসা লিংক এর মাধ্যমে সে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবে।

২। ফোরাম পোষ্টিং: ব্যকলিংক বাড়ানোর ক্ষেত্রে আরেকটি জনপ্রিয় ও কার্যকর পদ্ধতি হলো ফোরাম পোষ্টিং। ফোরাম এমনই একটা প্লাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা কোনো সমস্যার কথা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ঠদের কাছ থেকে সমস্যার সমাধান পেয়ে থাকেন। এখানে একজন ব্লগার সংশ্লিষ্ঠ সমাধানের সাথে নিজের ওয়েবসাইট সম্পর্কে ব্যবহারকারীদেরও অবহিত করতে পারবেন এবং আপনার ওয়েবসাইটে আনতে পারবেন। এখানে সবচেয়ে বেশি কার্যকর একটি বিষয় হলো আপনার সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

৩। ডিরেক্টরি সাবমিশনঃ ডিরেক্টরি সাবমিশনের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে পারেন। এজন্য আপনার সাইটকে অবশ্যই বিভিন্ন ডিরেক্টরিতে সাবমিট করতে হবে। এটা ভিজিটর বাড়ানোর এক অনন্য উপায়। গুগলে সার্চ
দিলে অনেক গুলো ফ্রী সাইট পাবেন ডিরেক্টরি সাবমিশনের জন্য। ডিরেক্টরি সাবমিশন আপনি বিনামূল্যে করতে পারবেন। তবে ডিরেক্টরি সাবমিশন সাইটে আপনাকে সবসময় ইউনিক তথ্য দিত হবে।

৪। সোস্যাল বুকমার্কিং: ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং আরেকটি জনপ্রিয় উপায়। এর মাধ্যমে খুব সহজে এবং দ্রুত আপনে কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক পাবেন এবং সাথে সাথে আপনি অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন।
ভালোমানের কিছু সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট এর রেজিস্ট্রেশন করুন এবং সম্ভব হলে আপনার ব্লগ এর প্রতিটা পোষ্ট শেয়ার করুন।

এ সমন্ধে আরও বিস্তারিত জানতে আমদের সাথে যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

বাড়ি নং#১০৬৯, শেখ ম্যানশন

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন

গাজীপুর চৌরাস্তা (সিয়াম সিএনজি পাম্পের বিপরীতে)

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন

গাজীপুর।

মোবাইলঃ ০১৮৮১০৪৯৩৯১,০১৮৮১০৪৯৩৯৪,০১৮৮১০৪৯৩৯৬

অনলাইনে ভর্তির জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন।

আমাদের সাথে থাকুন

ফেসইবুক
টুইটার
গুগল প্লাস
গুগল ম্যাপ

 

Free WordPress Themes, Free Android Games