আকর্ষণীয় অফারঃ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কোর্সে ৫০% পর্যন্ত ছাড়!

কেন আপনি একটি ই-কমার্স সাইট বানাবেন?

কেন আপনি একটি ই-কমার্স সাইট বানাবেন?

ইলেকট্রনিক কমার্স কে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়। আধুনিক ব্যবসা পদ্ধতি গুলোর মধ্যে এটি একটি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এ ব্যবসায় পরিচালনা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। মূলত ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং এবং ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সংক্রান্ত আদান প্রদান। সাধারণত ব্যবসায়িক এ কাজটি সম্পাদন করা হয় সবার জন্য উন্মুক্ত একটি নেটওয়ার্ক তথা ইন্টারনেটের মাধ্যমে। তাই বলা যায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান প্রদান বা লেনদেন সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াই হলো ই-কমার্স।

ই-কমার্সের বির্বতনের ইতিহাস

১৯৭০ সালের প্রথম দিকে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের সূচনা হয়। কিন্তু আমরা বর্তমানে যে ই-কমার্স ওয়েবসাইটটি দেখছি তা এ পর্যায়ে আসতে সময় লেগেছে প্রায় ৩০ বছর। গত ৩০ বছরে ই-কমার্সের মানেটাই পরিবর্তিত হয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে ই-কমার্স বলতে প্রথমে যা বোঝা যেত সেটি হলো ইলেকট্রনিক ডেটা ইন্টারচেঞ্জ(ইডিআই) এবং ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার(ইএফটি) এর মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা হত। এই উভয় প্রযুক্তির ব্যবহার ১৯৭০ সালের পরে চালু  হয়। আর এর ফলে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ক্রয়/বিক্রয় অর্ডার কিংবা চালানের মতো বাণিজ্যিক উপাত্তসমূহ ইলেকট্রনিক উপায়ে প্রেরন করার সুযোগ তৈরী হয়। ই-কমার্সের আরেকটি ব্যবহার ছিল এয়ারলাইন রিজার্ভাশন প্রক্রিয়ার প্রবর্তন। স্যাবরে এবং ট্রাভিকম নামের দুটি প্রতিষ্ঠান এর প্রচলন ঘটায়। মিশেল আলড্রিচ ১৯৭৯ সালে যুক্তরাজ্যে অনলাইন শপিং এর পদ্ধতি আবিষ্কৃত করেন। ১৯৯০ সালের ই-কমার্সে যুক্ত হয় এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স c­vwbs সিস্টেম,ডেটা মাইনিং এর বিষয়গুলো। ১৯৯৪ সালে ইন্টারনেট ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তারপরও নিরাপত্তার প্রটোকলসমূহ ও ডিএসএল  এর প্রচলন হতে আরও পাঁচটি বছর সময় লেগে যায়। এর ফলে ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রেঅভাবনীয় উন্নতি ঘটেছে। এবং ২০০০ সালে অসংখ্য ইউরোপ এবং আমেরিকান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের সেবাগুলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুরু করে। এর পর থেকেই ই-কমার্স ওয়েবসাইটসকলের কাছে পরিচিত হতে থাকে। বর্তমানে ই-কমার্স ওয়েবসাইট সকলের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ই-কমার্স ওয়েবসাইটে যে সকল সুবিধাসমূহ পাবেন

  1. অনির্দিষ্ট পেজ
  2. অনির্দিষ্ট পণ্য যোগ
  3. ফেসবুক পেজ
  4. যে কোন সময় পণ্য যোগ/কর্তন করতে পারবেন
  5. কালার/ব্র্যান্ড অনুযায়ী পণ্য খোঁজা
  6. পণ্যটি বড় কিংবা ছোট করে দেখতে পারবেন
  7. অনলাইনে পণ্যের মূল্য পরিশোধের সুযোগ
  8. স্যোসাল মিডিয়া শেয়ার অপশন
  9. মোট বিক্রয়ের পরিমাণ নির্ণয়
  10. ইউজার লগ ইন/ নিবন্ধন প্রক্রিয়া
  11. গ্রাহকের মতামতের ব্যবস্থা
  12. পিকচার আপলোড
  13. যে কোন জায়গায় বসে পরিচালনা করতে পারবেন
  14. অনির্দিষ্ট ইউজার ব্যবহার করতে পারবেন
  15. ইউনিক ডিজাইন

সুতরাং আপনি যদি একজন সফল ব্যবসায়ী হতে চান তবে আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট দরকার।

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন মান সম্মত ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করে থাকে। আপনি তাদের শরণাপন্ন হতে পারেন।

Free WordPress Themes, Free Android Games