ক্যারিয়ার গড়ুন আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং এ

ক্যারিয়ার গড়ুন আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং এ

বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিরাট অংশ এখন শিক্ষিত। কিন্তু শিক্ষা ব্যাবস্থা আর চাকরি ব্যাবস্থার সাথে কোন মিল না থাকায় কর্মসংস্থান হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপুর্ন।তাই এই শিক্ষিত কর্মক্ষম জনগোষ্ঠিকে আনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারলে সমস্যার অনেকটা সমাধান হতে পারে। আসুন জেনে নিই ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং কি?

আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে বাইরের কোন প্রতিষ্ঠানের বা ব্যাক্তির সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে কোন প্রকল্পের অংশবিশেষ বা সমগ্র প্রকল্প।

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে কোন ব্যাক্তি কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তির কাজ করে থাকেন। একজন ফ্রিল্যান্সার তার ইচ্ছামত কাজ বেছে নিতে পারেন। আবার যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার তার স্বাধীনতা আছে। গতানুগতিক অফিস সময়ের মত ধরাবাধা কোন নিয়মের মধ্যে থাকতে হয়না।

যেভাবে ফ্রিল্যান্সিং কাজ হয়।

যখন কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার কোন কাজ আইটসোর্সিং করতে চান তখন তিনি কাজটির জন্য ফ্রিল্যান্সারদের সাথে বিড করেন। বিডের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার উল্লেখ করে দেন যে, কাজটি তিনি কত দিনের মধ্যে করে দিতে পারবেন এবং তার মূল্য কত। এভাবে একটি কাজের যে কয়টা বিড হয় তার মধ্য থেকে সবচেয়ে যোগ্য এবং সুবিধাজনক বিডটিকে ইমপ্লয়ার নির্বাচন করেন।এরপর সেই ফ্রিল্যান্সারদের সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

কিভাবে শুরু করবেন ?

এখানে কাজ পেতে হলে আপনার প্রোফাইলটিকে সুন্দর করে গুছিয়ে তৈরি করতে হবে যা দেখে ক্লাইন্ট আপনাকে কাজ দিতে আগ্রহি হবে।এবং আপনি যে প্রাইস বিট করবেন তা তার মনঃপুত্ত হতে হবে।আপনি বিভিন্ন মার্কেট প্লেস ঘুরে দেখুন কোন কাজের চাহিদা বেশি।

যেভাবে আপনার প্রোফাইল তৈরি করবেন?

নিজেকে কোন একটি কাজে দক্ষ করে তুলুন।আর আপনি যে কাজটি জানেন সেই কাজের কিছু স্যাম্পল তৈরি করুন ।আপনি দক্ষ কিনা জানতে বিভিন্ন সাইট প্লেসে পরিক্ষা দিতে পারেন ।আপনি যে কাজটি জানেন সে বিষয়ে বন্ধু মহলে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আর দুটি বিষয়ে দক্ষতা থাকা জরুরী ।তা হল ইন্টারনেট সম্পর্কে ভাল জ্ঞান এবং ইংরেজিতে দক্ষতা। কারন ক্লায়েন্টদের অধিকাংশই হবে বাইরের দেশের । এবং তাদের সাথে ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে হবে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ।

ফ্রিল্যান্সারদের মনে রাখতে হবে ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে সাফল্যের পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জের এর মুখোমুখি হতে হবে।কাজ করার নির্দিষ্ট কোন সময় থাকেনা আপনাকে রাতের বেলা কাজ করতে হতে পারে।কাজ কতদুর এগোল ক্লায়েন্ট যখন দেখতে চাইবেন তাকে দেখাতে হবে। এতে আপনার বাক্তিগত জীবনে অসুবিধা হতে পারে।নতুনদের আয়ের পরিমান কম বেশি হতে পারে প্রতি মাসে ।কোন কোন ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করতে দেরি করতে পারেন এই পেশাটাকে আপনার আপনজনেরা মেনে না নিতে পারেন ।

Save

Leave a Reply

Free WordPress Themes, Free Android Games